ক্রিকেট গৌরবময় অনিশ্চয়তার খেলা। আর সেটাই দুইদিন প্রমাণ করলো বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। শুরুর ম্যাচে ৩ উইকেট থাকাকালীন বাংলাদেশ দল শেষ ১১ বলে করেছে ৩৫ রান।
১৩ বলে ৩৩ রানের সমীকরণে তারা জয় পেয়েছে ২ বল আগেই। অথচ একটা সময় ম্যাচ থেকে অনেকটা ছিটকেই যায় তারা।
এরপরের ম্যাচে বড় লক্ষ্যেও সাবলীল ছিল দল। এমনকি ৬ উইকেট হাতে রেখে ৬ অভারে মাত্র ৪২ রান লাগত বাংলাদেশের, ক্রিজে শতক হাকানো আকবরের সাথে ছিলেন সেট রিজওয়ান।
সে ম্যাচ আবার বাংলাদেশ দল হেরে যায় ১০ রানে। প্রথম ম্যাচে হারতে হারতে জয়, দ্বিতীয় ম্যাচে হাতের মুঠোর ম্যাচ হার।
ক্রিকেটটা যেন এমনই।
তবে ফলাফল যাই হোক, জমে উঠেছে এই আসর। দুই ম্যাচের ৪ ইনিংসেই হয়েছে ৩০০ এর অধিক রান। যে লক্ষ্যই হোক, প্রতিপক্ষ লড়াই করছে শেষ পর্যন্ত।
একই সাথে সিরিজেও সমতা, শেষ ম্যাচটা তাই সিরিজ জয়ের ম্যাচ। তাই জয় পেতেই মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল।
আগের ম্যাচে একাধিক বদলি ছিল বাংলাদেশ দলের। শেষ ম্যাচে দলে ফিরতে পারেন বাহাতি স্পিনার রকিবুল।
প্রথম ম্যাচে জেতানো রকিবুলকে সিরিজ জিততে আবারো নামানো হতে পারে একাদশে।
সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি রায়ান রাফসান। সেখানে ব্যাট হাতে না পারলেও বল হাতে প্রথম ম্যাচে নিজেকে প্রমাণ করেন আহরার আমিন। পরবর্তী ম্যাচে তাই সুযোগ আসতে পারে এই রাকিবুল ও আহরারের।
বল হাতে এই ম্যাচে দারুণ প্রদর্শন করেন শেখ পারভেজ জীবন। তবে ব্যাট হাতে সহজ ম্যাচ জেতাতে পারেননি তিনি।
অপরদিকে ব্যাটে বলে কোথাও পারফর্ম করতে পারেননি লেগী ওয়াসি সিদ্দিকি। আগামী ম্যাচে এই দুইজন চাইবেন জ্বলে উঠে দলের জয় নিশ্চিত করতে।
আর ব্যাট হাতে পারফর্ম করলেও অলরাউন্ডার হিসেবে পরের ম্যাচে বোলিংএ প্রমাণ করতে চাইবে চৌধুরী রিজওয়ান।
দক্ষিণ আফ্রিকার এই দলেও আছে বেশ পারফর্মার। দুই ম্যাচে নজর কেড়েছেন ডিওন ফরেস্টে, আন্দিল অস্টিনরা৷ দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কনর বয়েড দুই ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন।
দলটিতেও আছে অসাধারণ সব প্রতিভা। তাই পরের ম্যাচে ছাড় দিতে চাইবেনা তারাও।
সব মিলিয়ে সিরিজ জয়ের লড়াইটা দুই দলের জন্যই বেশ কঠিন।
এই লড়াই হবে আগামীকাল। রাজশাহীর শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামে সকাল ৯.১৫ তে মাঠে নামবে দুই দল। এবার দেখা যাক, কার ঘরে যায় এই সিরিজ।




