ব্যালন ডি অর জয়ের খুব কাছাকাছি ছিলেন। কিন্ত ব্যালনটা আর হাত দিয়ে ছোয়া হয়নি। ব্যালন জয় না করার পর ভিনি ঘোষণা দেন, তিনি ফিরবেন ১০ গুণ হয়ে। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষার্থে ভিনির ঘাটতি কিছুটা আছে।
যেভাবে বলেছিলেন, সে অনুসারে পারফর্ম করতে পারেননি। কিন্ত মাঠের ফুটবলে ভিনিসিয়াস এখনও ফুরিয়েও যাননি।
এই মৌসুমে ভিনিসিয়াস গোল এসিস্ট করেন ১৯ টি। ১০ গোলের সাথে ৯ এসিস্ট, অর্থ্যাৎ গোল ও এসিস্ট দুটিই করছেন পাল্লা দিয়ে।
লা লীগায় তার গোলক্ষরা নিয়ে ছিল প্রশ্ন, সেই লা লীগাতে করেছেন ১৩ গোল এসিস্ট। ৮ গোলের সাথে আছে ৫ এসিস্ট। চ্যাম্পিয়নস লীগের মঞ্চে করেছেন ৫ গোল এসিস্ট, এক গোলের সাথে এসিস্ট ৪ টি।
সর্বশেষ ম্যাচেও পেয়েছেন জোড়া গোল। সোসিয়াদাদের বিপক্ষে ২৫ মিনিটে নিজের প্রথম গোল করেন, দলের হয়ে করেন দ্বিতীয় গোল।
এরপর ৪৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোল করেন ভিনিসিয়াস। আর তাতেই সোসিয়াদাদকে হারিয়ে লা লীগা জয়ে এখনও শক্ত অবস্থান ধরে রেখেছে রিয়াল মাদ্রিদ।
কিন্ত এতকিছুর পরও ভিনিকে নিয়ে সমালোচনাই কমছেনা। অনেকে বলেন ভিনি রিয়াল মাদ্রিদে খেলার যোগ্য নয়।
অনেকে তো তাকে সৌদি লীগেও পাঠিয়ে দিতে চান। মাঠে ভিনি ফুরিয়ে গেছেন এমন দাবি অনেকের।
আবার অনেক সমর্থকের মতে মাঠের বাইরেই ভিনির বিতর্ক বেশি, মাঠে তিনি করতে পারেননা কাজের কাজটা। এর মাঝে অনেকে তো তাকে চাননা বিশ্বকাপ দলেও।
কিন্ত ভিনি কাজের কাজটা করে যাচ্ছেন নিরবে। গোল এসিস্ট করছেন, দলের হয়ে একের পর এক ম্যাচ জয় এনে দিচ্ছেন।
রিয়াল মাদ্রিদে এখন ভিনি মুল গোল স্কোরার নন। দলে কিলিয়ান এমবাপ্পের মত গোল স্কোরার আছেন, এর বাইরে জুড বেলিংহাম, রদ্রিগোরাও আছেন। তাই প্রায় ব্যালন জয়ী মৌসুমের চেয়ে পরিসংখ্যানে একটু ঘাটতি থাকবে সেটা অনুমেয়।
কিন্ত এরপরও ভিনিসিয়াস বিশ্বসেরাদের লেভেলেরই একজন খেলোয়াড়।
সর্বশেষ ৭ ম্যাচে ৬ গোল এসিস্ট। নতুন কোচের অধীনে নিজেকে যেন আরো ভালোভাবে মেলে ধরছেন।
জাতীয় দলে এবার পুরোনো কোচ কার্লোর অধীনে নিজের সেরাটা দেওয়া বাকি। তারকা থেকে মহাতারকা হওয়ার গল্পটা ভিনি লিখতে পারেন কিনা, সেটা নির্ধারণ করবে ২০২৬ বিশ্বকাপ।




