ভারত-পাকিস্তান, এই একটি ম্যাচই যেন ক্রিকেটের অনেক কিছুর ভাগ্য নির্ধারণ করে।আইসিসির আয়ের বড় একটি অংশ আসে এই ম্যাচ থেকে।অথচ সেই ম্যাচে রাইভেলারী মাঠের বাহিরে যতটা জমে ওঠে ততটা জমেনা মাঠে।তবে দেখা যায় পাকিস্তানের চেয়ে কিছুটা হলেও বেশি প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছে বাংলাদেশ, সেটা টি-টোয়েন্টিতে কিছুটা কম হলেও বেশ ভালোই হয় ওয়ানডেতে।
অন্যদিকে সব ফরম্যাটেই এক তরফা হেরেই যাচ্ছে পাকিস্তান।
এই সম্পর্কে সাবেক অধিনায়ক ও সাবেক প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেন “ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ের চেয়ে ভারত-বাংলাদেশ লড়াই-ই এখন বেশি উপভোগ্য। “
তিনি আরো বলেন,
‘এখন তো মনে হয় উপমহাদেশে ভারত-বাংলাদেশ খেলা এর চেয়ে বেশি প্রাণবন্ত হয়। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের চেয়ে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচের দিকে মানুষের নজর থাকে বেশি। এই বিশ্বকাপে এটা মিস হচ্ছে। ঐ খেলার ফোকাসের চেয়ে বাংলাদেশের ম্যাচের ফোকাস বেশি।’
অবশ্য নান্নুর মুতো একই কথা ২০২৩ সালেই বলেছিলেন মোহাম্মদ আশরাফুল,!
আশরাফুল বলেন, “এখনো পর্যন্ত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে বড় ম্যাচ বললেও ২০০৭ থেকে আমার কাছে মনে হয় ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচটাই কঠিন ম্যাচ হয় এশিয়ার মধ্যে। যদি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখি তাহলে ভারত এগিয়ে আছে, ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে যখনই খেলি, আমরা ভালো লড়াই করি।”

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত ও পাকিস্তান এখন পর্যন্ত ৯ বার পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ৮ বারই জিতেছে ভারত, পাকিস্তান জিতেছে মাত্র এক বার। ভারত এ নিয়ে টানা ৬ বার জয় তুলে নিয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
তাছাড়া বিশ্বকাপ, সে সংস্করণেই হোক না কেন, ভারতের বিপক্ষে লড়াই মানেই পাকিস্তানের হার! ২০২১ বিশ্বকাপের লড়াইটা ছিল শুধু ব্যতিক্রম। ইতিহাসের ধারা উল্টে দুবাইয়ের সেই ম্যাচ পাকিস্তান হারিয়ে দিয়েছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের। ওই ম্যাচের আগে তো নয়ই, পরেও ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টি,-কোনো সংস্করণের বিশ্বকাপেই ভারতকে হারাতে পারেনি পাকিস্তান।
ভারতের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ জিতেছে একবার,বেশি ম্যাচ খেলে পাকিস্তান জিতেছে ৩ বার।অর্থাৎ ব্যাবধানটা বেশিনা।তাছাড়া ক্রিকেট ন্যাশন্স হিসেবে অন ফিল্ড ও অফ ফিল্ডে বর্তমান পাকিস্তান -ভারতের চেয়েও বেশি জমে উঠছে বাংলাদেশ-ভারতের ম্যাচ।




