Homeফুটবলরমাদানে ইংল্যান্ডে বিশেষ উদ্যোগ: মুসলিম ফুটবলারদের সুবিধায় আসছে নতুন নিয়ম!

রমাদানে ইংল্যান্ডে বিশেষ উদ্যোগ: মুসলিম ফুটবলারদের সুবিধায় আসছে নতুন নিয়ম!

- Advertisement -spot_img

পুরো ইউরোপেই আধিপত্য আছে মুসলিম ফুটবলারদের, ব্যাতিক্রম নেই ইংল্যান্ডেও। সালাহ, সালিবা, ফোফানা, কুদুস সহ অনেক মুসলিম তারকা ফুটবলার আছেন ইপিএলে, যাদের অনেকেই রমাদানে পালন করেন রোজা।

এবার তাদের জন্য বিশেষ নিয়ম করতে যাচ্ছে ইপিএল কতৃপক্ষ।

রমাদানকে সামনে রেখে ইংল্যান্ডের ফুটবলে আসছে বিশেষ উদ্যোগ। মুসলিম ফুটবলারদের সুবিধার্থে ম্যাচ পরিচালনায় কিছু সাময়িক নিয়ম প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতি বছরই পবিত্র এই মাসে রোজা রেখে অনুশীলন ও ম্যাচ খেলেন অনেক তারকা ফুটবলার। তাদের শারীরিক সক্ষমতা ও ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতি সম্মান জানাতেই এমন পদক্ষেপ।

ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগ প্রিমিয়ার লীগএ ইতোমধ্যেই রমাদান চলাকালীন ম্যাচে সংক্ষিপ্ত বিরতির প্রচলন দেখা গেছে।

সূর্যাস্তের সময় হলে রেফারি খেলা সাময়িক থামান, যাতে রোজাদার খেলোয়াড়রা পানি ও খেজুর খেয়ে ইফতার করতে পারেন। একই ধরনের নির্দেশনা নিচের বিভাগগুলোতেও অনুসরণ করা হয়, বিশেষ করে ইংলিশ ফুটবল লীগে -এ।


এই উদ্যোগের ফলে ম্যাচের ধারাবাহিকতা খুব বেশি ব্যাহত হয় না, বরং খেলোয়াড়দের শারীরিক ঝুঁকি কমে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে উচ্চমাত্রার প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশ নেওয়া কঠিন।

তাই সূর্যাস্তের পর অল্প সময়ের বিরতি তাদের শক্তি পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ক্লাবগুলোকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে অনুশীলনের সময়সূচি ও ফিটনেস ব্যবস্থাপনায় নমনীয়তা রাখার জন্য।

ইংল্যান্ড জাতীয় দলও বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখে। ফলে রমাদানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ থাকলে একইভাবে ইফতারের সুযোগ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা থাকে।

বর্তমানে ইংলিশ ফুটবলে বেশ কয়েকজন মুসলিম ফুটবলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।মোহম্মদ সালাহ বা সাদিও মানের মতো তারকারা অতীতে রোজা রেখেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। এর বাইরে ফোফানা, সালিবা, কুদুসরা খেলেন ইপিএলে।

তাদের উদাহরণ নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে, একইসঙ্গে ক্লাবগুলোকে আরও সংবেদনশীল হতে উৎসাহিত করে।

রমাদান উপলক্ষে আনা এই বিশেষ সুযোগ শুধু ধর্মীয় দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং এটি বহুসাংস্কৃতিক সমাজে পারস্পরিক সম্মান ও সহাবস্থানেরও বার্তা দেয়।

ইউরোপিয়ান লীগগুলোতে তীব্র প্রতিযোগীতা আছে বটে, তবে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ ভেদাভেদ ভুলে কাধে কাধ মিলিয়ে খেলে। ফুটবল যে কেবল প্রতিযোগিতা নয়, বরং সামাজিক সম্প্রীতিরও একটি মাধ্যম। রোজার মাসে ইফতারে বিরতি ও মুসলমানের প্রতি সহনশীল হওয়ার ইংল্যান্ডের এই পদক্ষেপ সেটিই আবারও প্রমাণ করল।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here