ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ ‘দ্য হান্ড্রেড-এ পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের ঘিরে ‘ছায়া নিষেধাজ্ঞা’র গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, ভারতীয় মালিকানাধীন কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজি নিলামে পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের এড়িয়ে যেতে পারে।
বিষয়টি সামনে আসতেই ইংলিশ ক্রিকেট অঙ্গনে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। এ প্রেক্ষাপটে সরব হয়েছেন ইংল্যান্ডের তারকা অলরাউন্ডার মঈন আলী।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এ প্রকাশিত এক কলামে মঈন স্পষ্ট ভাষায় জানান, যুক্তরাজ্যে এমন বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে তা হবে “লজ্জাজনক নজির”।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইপিএল-সংশ্লিষ্ট ভারতীয় মালিকানাধীন কয়েকটি দল পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের দলে না নেওয়ার অনানুষ্ঠানিক অবস্থান নিতে পারে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ বিষয়টি স্বীকার করেনি, তবুও ক্রিকেট মহলে শঙ্কা বাড়ছে।
মঈন আলী বলেন, খেলাধুলায় নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা শ্রেণির খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়া স্পষ্ট বৈষম্য।
তাঁর মতে, এমন কিছু ঘটলে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা ঐক্যবদ্ধভাবে এর প্রতিবাদ জানাবেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড -ইসিবি, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করবে।
একই সুরে আগেই উদ্বেগ জানিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন ও বর্তমান ব্যাটার হ্যারি ব্রুক।
মঈনের দাবি, বৈশ্বিক বিভিন্ন লিগে প্রভাবশালী মালিকানার কারণে অনেক ক্রিকেটার ক্যারিয়ার ঝুঁকিতে পড়ার ভয়ে মুখ খোলেন না।
তবে তিনি মনে করেন, সিনিয়র ও প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড়দের এ ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো উচিত।
তাঁর ভাষায়, “যুক্তরাজ্যে অন্তত আমাদের মতামত দেওয়ার সুযোগ আছে।”
অন্যদিকে, সম্ভাব্য বিতর্ক এড়াতে নিলামের আগে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে সতর্ক করেছে ইসিবি।
বোর্ড জানিয়েছে, তারা সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে না, তবে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখবে।
আগামী ১২ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য নিলামে পাকিস্তানের ৬৭ জন ক্রিকেটার নাম নিবন্ধন করেছেন। এখন দেখার বিষয়, মাঠের বাইরের এই উত্তাপ নিলামের টেবিলে কতটা প্রভাব ফেলে।




