সাকিব আল হাসানের দেশে ফেরা নিয়ে সম্প্রতি বেশ জোরেশোরে আলোচনা শুরু হয়েছে। এমন গুঞ্জনও উঠেছিল যে, ঘরের মাঠে ১১ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া পাকিস্তান সিরিজ দিয়েই তিনি আবারও বাংলাদেশের জার্সিতে খেলতে যাচ্ছেন। তবে আপাতত সেই সম্ভাবনা নেই।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আর দেশে ফিরতে পারেননি সাকিব। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তার নামে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। এসব মামলার সুরাহা করেই বিসিবি তাকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
বিসিবি সাকিবের আইনজীবীদের কাছ থেকে মামলার কাগজপত্র সংগ্রহ করেছে এবং পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য সেগুলো যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কাছে পাঠিয়েছে। তারকা এই অলরাউন্ডারের দেশে ফেরা নিয়ে আসিফ আকবর জানিয়েছেন, “সাকিবের যে আইনি বিষয়গুলো নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে, সেগুলো সমাধানের জন্য মন্ত্রণালয় ও বিসিবি একসঙ্গে কাজ করছে।”
তবে এখনো সাকিবকে দলে ফেরানোর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। খুব শীঘ্রই পাকিস্তান সিরিজের দলের ঘোষণা করা হবে। জানা গেছে, নির্বাচকদের কাছে সাকিবকে সেই স্কোয়াডে রাখার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা আসেনি।
যদি সাকিব দেশে ফিরলেও সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় দলে জায়গা পান, তা এমনও নয়। দেড় বছর জাতীয় দলের বাইরে থাকা এই ক্রিকেটারকে আগে নিজের ফিটনেস প্রমাণ করতে হবে। তাই দেশে ফেরার পর তার দলের সঙ্গে খেলার বিষয়টি সম্পূর্ণ তার প্রস্তুতি ও ফিটনেসের উপর নির্ভর করবে।
তবে আপাতত সাকিব আশাহত হতেই পারেন! কেননা দুবছর যাবৎ বাংলাদেশের মাটিতে পা রাখার সুযোগ হয়নি দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পোস্টার বয়ের।




