দেশের টানে আগেই প্রকাশ করেছিলেন আগ্রহ। বাফুফেও তাদের ব্যাপারে ছিল আন্তরিক। কিন্ত শেষ পর্যন্ত দুইয়ে দুইয়ে চার মিলতে লাগে সময়।
তবে অপেক্ষা দীর্ঘ হলেও রেনান ও ডেক্লাইন সুলিভানের বাংলাদেশের হয়ে খেলার সময় খুব বেশি দুরত্বে নেই। সাফ অনুর্দ্ধ ২০ দলের হয়েই মাঠে নামার অপেক্ষা এই দুই ভাইয়ের।
এর মাঝে দেশের হয়ে খেলার জন্য পাসপোর্টও পেয়েছেন দুই ভাই। তবে দুই ভাইয়ের বাংলাদেশের হয়ে খেলায় দেশের ফুটবল ভক্তরা যেমন আনন্দিত হয়েছেন, আনন্দ ছুয়ে গেছে তার পরিবারেও।
দুই ভাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আরেক ভাই। তিনি কাভান সুলিভান। কাভান অন্য ভাইদের খেলার খবর শেয়ার করে দিয়েছেন স্টোরি শেয়ার। একইসাথে দিয়েছেন লাভ।
সুলিভান ব্রাদার্সের মাঝে সবচেয়ে প্রতিভাবান নামটি কাভান ব্রাদার্স। কাভান বাংলাদেশ তো বটেই, বিশ্ব ফুটবলেরই আপকামিং সুপারস্টার।
এর মাঝে ১৬ বছরেই নিয়মিত হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাব ফিলাদেলফিয়ার মুল দলে। ম্যানচেস্টার সিটির মত ক্লাব এই বয়সে আলাপ সেরে রেখেছে তার সাথে।
বাংলাদেশ তো বটেই, স্বয়ং ৪ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিও কাভানকে নিজ দেশে খেলানোর ব্যাপারে আগ্রহী।
এত বড় এক ট্যালেন্ট, ক্যারিয়ারের খোজে ভালো দেশকেই হয়ত বেছে নিতে চাইবেন। যে কারণে রেনান ও ডেক্লাইনরা বাংলাদেশের হয়ে খেললেও এখনও কাভানদের ব্যাপারে মেলেনি অগ্রগতি।
তবে সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়না তাতে। একটা সময় সামিত সোম সরাসরি বলেছিলেন তিনি খেলবেননা বাংলাদেশের জার্সিতে।
সেই সোম বাংলাদেশের হয়ে আজ গোল স্কোরার। হামজা চৌধুরিকেও লাল সবুজের জার্সিতে দেখা ছিল অলীক স্বপ্নের মত। বর্তমানে বাংলাদেশের ফুটবলের বড় ব্রান্ড এই হামজা।
সেখানে কাভানের দুই ভাই যাচ্ছেন বাংলাদেশে। দেশের ফুটবলের তাপ কিছুটা হলেও আচ লেগেছেন কাভানের গায়ে। কাভান হয়ত কিছুটা বুঝেছেন, আমেরিকা জার্মানিতে খেলে বড় তারকা হতে পারবেন, কিন্ত মানুষের ক্রেজটায় থাকবে ঘাটতি। একইসাথে ঐসব দেশে তার মত ফুটবলারকে যে ধরণের প্রতিযোগিতায় থাকতে হবে, সেটা নেই এই বাংলাদেশে।
আগামী দিনে হয়ত রেনান ও ডেক্লাইনকে নিয়ে উজ্জাপন করবে বাংলাদেশ। স্পন্সরশিপ, ব্রান্ডিং থেকে স্টারডম, সুলিভান ব্রাদার্সরা পারফর্ম করতে পারলে অভাব কোনটাই হবেনা তাদের।
আর সেখানে যদি কোনভাবে কাভান আসেন, সেক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়া তথা এশিয়ান ফুটবলের স্পটলাইট থাকবে তার উপর।
যে কারণে কাভানদের আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ হলেও উড়িয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই। বাংলাদেশের পতাকা যে ভালোবাসেন, সেটা স্টোরিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন। সেই ভালোবাসাই কাভান পড়িয়ে দেক লাল সবুজের জার্সি, এটাই প্রত্যাশা ভক্তদের।




