ঘরের মাঠে নিজের সম্ভাব্য শেষ ম্যাচ। আবার আগের ম্যাচের পারফর্মেঞ্চের সমালোচনার আচটাও লেগেছে গায়ে।
লিওনেল মেসি তাই বোধহয় আত্মপ্রত্যয়ীই হয়ে নামলেন, সমালোচকদের জবাব দেওয়ার সুযোগটাই যেম খুজলেন।
আগের দিন লিওনেল স্কালোনিও খেলোয়াড়দের করেছেন সতর্ক, সেই সতর্ক বার্তায় খেলোয়াড়রাও দিয়েছে নিজেদের সেরাটা। আর সেখানে যেন পুড়ে ছাড় খার হলো জাম্বিয়া দল। আর্জেন্টিনার মাঠে খেলতে এসে নিয়ে যেতে পারলোনা নিজেদের ইজ্জতটাও।
এদিন ম্যাচের ৪ মিনিটে গোল উৎসব শুরু করে আর্জেন্টিনা দল। এবার আক্রমণের শুরু লিওনেল মেসির হাত ধরে।
সেখানে ডিবক্সের ভিতর বল পেয়ে লিও মেসি তৈরি করেন স্পেস, বল দেন বাড়িয়ে। সেখান থেকে বল পেয়েই ক্ষুদ্র টাচ আসে থিয়োগা আলমাদার পা থেকে। আর সেই টাচ থেকে বল পান আলভারেজ। বর্তমানের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার সুযোগের সৎ ব্যাবহার করতে ছাড়েননি, দারুণ এক শটে আদায় করেন গোল।
ম্যাচের ৪৪ মিনিটে এরপর ব্যাবধান দ্বিগুণ করেন লিওনেল মেসি। সামনে থেকে আসা বলে ম্যাক এলিস্টারের শট, তবে সেটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে বল যায় আলভারেজের পায়। সেখান থেকে বল পান লিওনেল মেসি, তাকে আটকে রেখেছিল জোড়া খেলোয়াড়।
তবে সেই ফাকেও মেসি বল বাড়ান আলভারেজের দিকে, এরপর নেন ফিরতি বল। এরপর কোনার এঙ্গেল থেকেও মেসিকে আটকান জোড়া ডিফেন্ডার। কিন্ত নামটা যে মেসি, তার দিনে বাকি সব হয় মিছে। সেখানেই এবার দারুণ এক শট তার, যে শট খুজে নেয় জালের ঠিকানা। আর তাতেই লিড ডাবল আর্জেন্টিনার।
দুই গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা দল। ফিরে এসে তারা করে আরো জোড়া গোল৷ দ্বিতীয়ার্থে গোল উৎসবের শুরু হয় ৫০ মিনিটে। ডানদিক থেকে বল নিয়ে আক্রমণে উঠেন আর্জেন্টাইন থিয়োগা আলমাদা।
কিন্ত তাকে থামাতে পারছিল না জাম্বিয়ার কোন ডিফেন্ডার। শেষ পর্যন্ত জাম্বিয়ার কাংগায়ান্ডা ফাউল করে বসেন আলমাদাকে, আর সেখানেই রেফারি বাজান পেনাল্টির বাশি। যেখানে পেনাল্টি নিতে আসেন নিকোলাস ওটামেন্ডি। তার ডান পায়ের বুদ্ধিদীপ্ত শটে আর্জেন্টিনা বাড়ায় লিড।
ম্যাচের ৬৬ মিনিটে চতুর্থ গোল পায় আর্জেন্টিনা। এবার আলমাদার করা শট ফিরাতে গিয়ে নিজের জালেই বল পাঠিয়ে দেন জাম্বিয়ার সেন্টার ব্যাক চান্দা। তাতে ম্যাচে হালি পুরণ করে আর্জেন্টিনা দল
চার গোলের পরও আক্রমণ চালিয়ে যায় আর্জেন্টিনা দল,তবে আর সফল হতে পারেনি তারা।
তাতেও অবশ্য কোন ক্ষতি হয়নি, বরং দাপটের সাথে বড় জয় যেন বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের মানকেই তুলে ধরলো। এই আর্জেন্টিনাকে নিয়েই তো আবারো বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখতে পারে ভক্তরা।




