মাঠের ক্রিকেটেই তিনি পরিচিতি পেয়েছেন বিশ্বের দরবারে। বাংলার ক্রিকেটের আইকনিক ফিগার তামিম ইকবাল এবার এলেন ক্রিকেটের দায়িত্বে।
ক্রিকেটার থেকে কমেন্টটের, সংগঠক নানা কিছুর দায়িত্বই পালন করেছেন সাবেক এই ওপেনার। এবার বাংলার সাবেক ওপেনারের হাতে ক্রিকেট বোর্ডের দায়িত্ব। আগামী ৩ মাস বোর্ডের সর্বোচ্চ কর্তা হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন তামিম।
তামিম দায়িত্ব নেওয়ার পর অনেক ইস্যুই এসেছে সামনে। তার মধ্যে আলোচনায় সাকিব আল হাসান ইস্যু।
দেশের ক্রিকেটে না থেকেও আছেন সাকিব। গত দুই বছরে বাংলাদেশের জার্সিতে মাঠের ক্রিকেটে না থাকলেও আলোচনায় ভালোভাবেই আছেন সাবেক বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।
আলোচনা ছিল সাকিব আল হাসানের দেশে ফেরা নিয়েও। সেই আলোচনা যেন এবার বেগ পেলো আর। কেননা বল এখন সাকিবের সাবেক বন্ধু তামিম ইকবালের কোর্টে।
বিগত দুই বোর্ডের আমলেই সাকিব আল হাসান ছিলেন দেশের বাইরে। ফারুক আহমেদের আমলেই শুরুতে দেশে আসতে নিষেধ করা হয় সাকিবকে। যদিও সেখানে ছিল তৎকালীন সরকারেরও রায়।
এরপর আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডের আমলে দোলাচলে ছিল সাকিবের আগমণ।
সাকিব আল হাসানেএ জন্য পথ উন্মুক্ত বললেও কাজের কাজ হচ্ছিল না কিছুই। নানা সিরিজের আগে সাকিব আসবে বলা হলেও শেষ পর্যন্ত আসা হয়নি সাকিবের।
সবাই ধরেই নিয়েছিলেন, আর আসা হবেনা বাংলার সেরা অলরাউন্ডারের। তবে নতুন বোর্ডের অধীনে আবারো সবাই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন নতুন করে।
সাকিব তামিমের মাঝে দ্বৈরথ ছিল। নানা ঘটনায় একজন আরেকজনকে সরাসরি দোষারোপও করেছেন।
তবে এই দুইজন একসময় নিজেদের সেরা বন্ধুও ছিলেন। এমনকি বয়সভিত্তিক থেকে জাতীয় দল, দীর্ঘ সময় একইসাথে আড্ডাও দিতেন এই দুই তারকা। সেখানে সাকিবের প্রতি পুরোনো বন্ধুত্বের টান কিছুটা হলেও আছে যে তামিমের মাঝে, তাতে নেই সন্দেহ।
তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাটা তামিমের হাতেই থাকবে আপাতত। ক্রিকেটার, বন্ধু বা দুরত্ব, এইসবের বাইরে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আছে তামিম ইকবাল খানের। কেননা বর্তমানে বিসিবির সর্বোচ্চ রানিং কর্মকর্তা তিনি।
দেশের ক্রিকেটের জন্য ও পুরোনো বন্ধুত্বের টানে যদি তামিম দেশে আনেন সাকিবকে, তবে তাতে থাকবেনা অবাক হবার কিছু৷ বরং সেটা হলে দেশের ক্রিকেটে যে বাড়বে সম্প্রীতি, সেটা উল্লেখ করাই যায়।




