বৃষ্টির চোখরাঙানিতে ম্যাচ ছোট হয়েছে, উইকেটও ছিল ব্যাটিংয়ের জন্য কঠিন। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের টপ অর্ডার যখন একের পর এক ব্যর্থ, তখন দলের জন্য ত্রাতা হয়ে উঠলেন তাওহিদ হৃদয়।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে তাঁর ঝড়ো ব্যাটিংয়েই বড় বিপর্যয় এড়িয়ে সম্মানজনক সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। মাত্র ২৫ বলেই ৪২ রান তুলে ম্যাচের গল্পটাই বদলে দিয়েছেন হৃদয়।
এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৩ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১১১ রান। বৃষ্টির কারণে ম্যাচ থেকে বাদ পড়ে সাত ওভার।
ছোট সংস্করণের এই ম্যাচে তাই শুরু থেকেই ছিল দ্রুত রান তোলার তাড়া। কিন্তু বাংলাদেশের ইনিংসের শুরুটা হয়েছে একেবারেই উল্টো চিত্রে।
তানজিদ তামিম, লিটন দাস ও পারভেজ হোসেন ইমন,তিনজন মিলে করতে পেরেছেন মাত্র ১০ রান।
সাইফ হাসান কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ১৭ বলে ১৯ রানের বেশি এগোতে পারেননি। ফলে মাত্র ৪৫ রানেই চার ব্যাটারকে হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।
সেখান থেকেই দৃশ্যপট পাল্টানোর দায়িত্ব নেন হৃদয়। মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুতগতিতে রান তুলতে থাকেন তিনি।
পাকিস্তানি বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে মাত্র ২৫ বলেই তুলে নেন ৪২ রান। তাঁর ইনিংসে ছিল ছয়টি বাউন্ডারি, যার চারটিই ছক্কা। অর্থাৎ চার হাঁকানোর চেয়ে দ্বিগুণ ছক্কা মেরেছেন এই ব্যাটার।
হৃদয়ের ৪২ রানের ইনিংসের স্ট্রাইক রেটও ছিল চোখে পড়ার মতো,১৬৮। দলীয় ৯৮ রানে তাঁর বিদায়ের পর অবশ্য বাংলাদেশের ইনিংস আর খুব বেশি এগোয়নি।
এর পরপরই মোসাদ্দেকও ফিরে যান ১১ রান করে। শেষ বলে রিশাদ হোসেনের বিদায়ে ১৩ ওভারে ৭ উইকেটে ১১১ রানেই থামে বাংলাদেশের ব্যাটিং।
শেষ পর্যন্ত মাহেদি হাসান ৮ রানে অপরাজিত থাকেন। তবে বাংলাদেশের ইনিংসে সবচেয়ে উজ্জ্বল নাম একটিই,তাওহিদ হৃদয়।
কঠিন উইকেট, কম ওভার আর দ্রুত উইকেট পতনের মধ্যেও তাঁর ব্যাটেই মিলেছে আক্রমণের স্বাদ। গামিনির ‘ধানক্ষেতে’ তাই অন্যদের ফলন কম হলেও হৃদয়ের ব্যাটে উঠেছে বাম্পার ফলন




