একটা ব্যালন ডি অর একজন খেলোয়াড়ের কাছে স্বপ্নের মত। সারাজীবন ক্লাব ও জাতীয় দলে দাপুটে পারফর্মেন্স করেও ব্যালন পাওয়া হয়না অনেকের।
সেখানে লিওনেল আন্দ্রেস মেসি এই পুরষ্কার পেয়েছেন মোট ৮ বার। শুধু তাই নয়, এবার ৯ম পুরষ্কারের জন্য সেরাদের তালিকায় এলএমটেন।
৩৯ বছর বয়সী মেসির হাতে এই পুরষ্কার উঠবে কিনা, সেটা জানা যাবে এই মাসেই। গত মৌসুমের ব্যালেন ন ডি অরের পুরষ্কার ঘোষণার তারিখ উল্লেখ করেছে ব্যালন ডি অর কতৃপক্ষ। একইসাথে জানানো হয়েছে এই আসরের মঞ্চের নাম।
সবকিছু ঠিক থাকলে এই মাসের ২৬ তারিখ জানা যাবে ব্যালন ডি অর উইনারের নাম। সাধারণত ফ্রাঞ্চ ফুটবল থেকে দেওয়া হয় এই পুরষ্কার।
এবারো তারাই দেবে ব্যালন ডি অর, তবে পরিবর্তিত হচ্ছে ভেন্যু। ব্যালন ডি অর ২০২৬ এর জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ইংল্যান্ডের লন্ডনককে।
৭০তম আসরে সাবেক ইংলিশ ব্যালন ডি অর জয়ী ফুটবলারকে উৎসর্গ করেই এমন সিদ্ধান্ত।
ব্যালন ডি অরে মেসির সবচেয়ে যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন দুইজন।। সবচেয়ে এগিয়ে থাকা নাম ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন। গত মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ৭০ এর অধিক গোল করেছেন।
ক্লাবের হয়ে গিয়েছিলেন চ্যাম্পিয়নস লীগের সেমিফাইনালে, বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে করেছেন তৃতীয়। এর বাইরে জয় করেন বুন্দেসলীগা শিরোপা। প্রায় সব আসরেই দেখান নিজের দাপট। এই মুহুর্তে তাই এগিয়ে থাকা নাম হ্যারি কেন।
তবে স্পেনের লামিন ইয়ামালকেও আলোচনার বাইরে রাখা যাচ্ছেনা। গত আসরে বার্সেলোনার হয়ে লা লীগা জয় করেন, স্পেনের হয়্ব জয় করেন বিশ্বকাপ। ক্লাবের হয়ে গত মৌসুমে ৩০ এর অধিক গোল এসিস্ট পান।
যদিও বিশ্বকাপে মাত্র ১ গোল এসিস্ট লামিনকে কিছুটা পিছিয়ে রাখছে। তবে দলগতভাবে ক্লাব ও জাতীয় দলে সাফল্যের জন্য তিনিও হট ফেভারিট।
এর মাঝেও শোনা যাচ্ছে ব্যালন ডি অরে সামনের দিকেই থাকবেন মেসি। যদি এই পুরষ্কার জয় নাও করেন, তবুও সেরাদের কাতারেই আসবে তার নাম।
৩৯ বছর বয়সে এটাও বড় অর্জন যেকারো জন্য। শেষ পর্যন্ত কার হাতে এই পুরষ্কার উঠে, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ২৬ তারিখ পর্যন্ত।




