‘লামিন ইয়ামাল কে? আমি তাকে চিনি না।’ বার্সেলোনার স্প্যানিশ তরুণ তারকাকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছিলেন গ্যালাটাসারাইয়ের মিডফিল্ডার মারিও লেমিনা।
তবে মাঠের লড়াইয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে সেই মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন ইয়ামাল। গ্যালাটাসারাইয়ের বিপক্ষে বার্সেলোনার দাপুটে জয়ের ম্যাচে দারুণ পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন এই তরুণ, বুঝিয়ে দিয়েছেন কেন তাকে ঘিরে এত আলোচনা।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে গ্যালাটাসারাইয়ের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ইয়ামাল।
ম্যাচে মাত্র তিন মিনিটের ব্যবধানে দুটি অ্যাসিস্ট করে বার্সেলোনার আক্রমণভাগকে আরও ধারালো করে তোলেন তিনি। তার পাসিং, ড্রিবলিং ও প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেদ করে সুযোগ তৈরি করার দক্ষতা ছিল চোখে পড়ার মতো।
ম্যাচজুড়ে ইয়ামালের সফল দুটি ড্রিবলিংয়ের পাশাপাশি নজর কেড়েছে তার নিখুঁত পাস এবং চান্স ক্রিয়েশন।
সব মিলিয়ে মাঠের পারফরম্যান্সে নিজের গুরুত্ব আবারও তুলে ধরেছেন এই স্প্যানিশ তারকা। ম্যাচ শেষে সোফাস্কোরে ৯.৩ রেটিং নিয়ে সেরা খেলোয়াড়ও নির্বাচিত হন তিনি।
ইয়ামালকে নিয়ে লেমিনার ২০২৫ সালের মন্তব্যটি ম্যাচের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় আসে।
তবে ওই মন্তব্যের জবাবে পাল্টা কথা না বলে মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই নিজের পরিচয় তুলে ধরেছেন বার্সেলোনার এই তরুণ। ফলে ম্যাচের পর ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনায় ঘুরেফিরে এসেছে সেই প্রশ্ন, ‘লামিন ইয়ামাল কে?’
মাত্র ১৯ বছর বয়সেই ইউরোপীয় ফুটবলে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন ইয়ামাল। বল পায়ে তার , দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করার দক্ষতা তাকে আলাদা করে চেনায়। ফুটবল যে শুধু গোল করার খেলা নয়, বরং দর্শকদের আনন্দ দেওয়ারও মাধ্যম, ইয়ামালের খেলা যেন সেই কথাই মনে করিয়ে দেয়।
লেমিনার মন্তব্যের জবাব দিতে ইয়ামালের আলাদা কোনো বক্তব্যের প্রয়োজন হয়নি। গ্যালাটাসারাইয়ের বিপক্ষে তার পারফরম্যান্সই হয়ে উঠেছে সবচেয়ে বড় উত্তর। খেলা দিয়েই ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছেন বার্সেলোনার এই তরুণ।
প্রসঙ্গত গতকাল চ্যাম্পিয়নস লীগের ম্যাচে গোল হজম করে বার্সেলোনা। এরপর দ্বিতীয় গোল গজম করলেও তা বাতিল হয় অফসাইডে।
তারপরই ঘুরে দাঁড়ায় বার্সা,ক্যান্সেলোর গোলে শুরু এরপর,গর্ডন ফার্মিন-ইয়ামালদের তোপে উড়ে যায় প্রতিপক্ষ। শেষমেশ ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।




