আশিয়ানের ব্যার্থতা কাটিয়ে এবার ঘরের মাঠে আরেক বড় আসরে বাংলাদেশ। ২০ বছর পর এবার সাফের শিরোপা পুনরাদ্ধরের মিশনে বাংলাদেশ দল। সেই আসরের আগে সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ দুটাই সঙ্গী বাংলাদেশের। তবে সাফ শুরুর আগে দুশ্চিন্তাও আছে বাংলাদেশ শিবিরে।
আগামী নভেম্বরে শুরু হবে দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের আগামী আসর। এই আসরের শুরুর ম্যাচেই দেখা যাবে বাংলাদেশ দল, ভুটানের বিপক্ষে খেলবে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। কিন্ত এখানেই আছে এক জটিল সমস্যা। কেননা এই ম্যাচে নিজেদের সেরা একাদশ পাবেনা বাংলাদেশ দল।

কেননা ৫ নভেম্বর সাফ শুরু হলেও ফিফার আন্তর্জাতিক উইন্ডো শুরু হবেনা তখনও। আগামী ৯ থেকে ১৭ নভেম্বর থেকে হবে এই উইন্ডো। আর একজন খেলোয়াড়কে কোন ক্লাব শুধুমাত্র ফিফা উইন্ডোতে খেলার অনুমতি দিতে ফিফার আইনে বাধ্য থাকবে। অর্থ্যাৎ এর বাইরে যদি ক্লাব খেলোয়াড়কে না ছাড়ে, সেক্ষেত্রে জোর করার থাকবেনা সুযোগ।
যে কারণে প্রথম ম্যাচে বড় বড় তারকাদের না পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়েছে বাংলাদেশ দলের। সেই তালিকায় সবার আগে হামজা চৌধুরীর নাম। এমনকি সাফের শুরুর সপ্তাহে চরম ব্যাস্তও থাকবেন হামজা। ৪ ও ৭ নভেম্বর শেফিল্ডের হয়ে সুচি তার। ফলে হামজাকে শুরুর ম্যাচে না পাওয়ার সম্ভাবনাই অধিক।
শুধু হামজা নয়, আন্তজার্তিক নানা ক্লাবে খেলা খেলোয়াড়দেরই পাওয়া না যেতে পারে সাফের শুরুর ম্যাচে। সেখানে থাকবেন ফারহান, সামিত সোম, জায়ানের মত ফুটবলার। তবে এটাকে দুশ্চিন্তা হিসেবে দেখছেন না বাংলাদেশ কোচ ডুলি। বরং দেখছেন এক সুযোগ হিসেবে।
ডুলির মতে হামজা না আসলে এটা হবে দেশী ফুটবলারদের জন্য সুযোগ। আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগাতে হবে ফুটবলারদের। এমনকি ভুটান ম্যাচে যদি দেশী ফুটবলাররা খেলে জয় করতে না পারেন, তবে তাদের ফুটবল ছেড়ে দেওয়া উচিত বলেও কড়া মন্তব্য এই কোচের।
এ নিয়ে ডুলি বলেন “ ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচে হামজাকে পাওয়া যাবেনা। আমাদের স্থানীয় ফুটবলার নিয়ে ভুটানকে হারানোর সামর্থ্য আছে। যদি তারা না করতে পারে, তবে তাদের ফুটবল ছেড়ে দেওয়া উচিত”
ডুলির বার্তা পুরষ্কার, ফুটবলে উন্নতি করতে হলে বড় বড় প্রবাসীদের ছাড়া অন্তত ভুটানের সাথে জয় পাওয়ার আত্মবিশ্বাস থাকতে হবে দলকে। ফুটবলের জাগরণের আগেও ভুটানের বিপক্ষে বাংলাদেশই ছিল ফেভারিট, এবারও তার ব্যাতিক্রম দেখেননা কোচ ডুলি। এবার দেখা যাক, মাঠের ফুটবলে কেমন করে ডুলির শিষ্যরা, ভুটান ম্যাচে হামজাকে ছাড়া আনে কেমন ফল।




