সাদা বলের ক্রিকেটেই বেশি খ্যাতি তার। বিশেষ করে টি২০ ক্রিকেটে পাওয়ার হিটিং এর জন্যই খ্যাতি পেয়েছেন বেশি।
ছক্কা হাকানো বা ঝড় ইনিংস খেলার দক্ষতার জন্য আজও তাকে স্মরণ করে ক্রিকেট ভক্তরা। তবে এবার যেন ভিন্নরুপে দেখা গেলো সাব্বির রহমান রুম্মানকে। সাদাবলে ঝলক দেখানো সাব্বির এবার লাল বলের ক্রিকেটেও দেখালো নিজের সক্ষমতা।
আর সেই সক্ষমতা প্রমাণে সাব্বির ছাড়িয়ে গেলো সবাইকে। এনসিএলের এবারের আসরের এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এই সাব্বির রুম্মানই।
যেখানে ৫ ইনিংসের মাঝে মাঝে ৩ টাই ৫০ পেরিয়েছে সাব্বিরের নাম, সবগুলো ইনিংসেই করেছেন দুই অঙ্কের কোটা।
তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল শেষ দুই ইনিংস। শেষ ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন দলের হয়ে, এবার সেঞ্চুরি থেকে থামলেন ১৪ রান দূরে। সাব্বির যেন উড়ছেন ব্যাট হাতে।
প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রামের বিপক্ষে মাঠে নামে সাব্বিরের রাজশাহী দল। সে ম্যাচেও দলের হয়ে জ্বলে উঠেন সাব্বির। প্রথম ইনিংসে করেন ৩৮ বলে ৩৫ রান। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে অর্ধশতক তুলে দলের বিপর্যয় সামাল দেন। সেবার ১১২ বলে করেন ৫১ রান, দেখান নিজের সম্পুর্ণ ধৈর্য্য।
তবে খুলনার বিপক্ষে সাব্বির ছিলেন আরো সলিড। প্রথম ইনিংসে সেখানে খুলনার বিপক্ষে ব্যাট হাতে বিপর্যয়ে পড়ে রাজশাহী দল।
আর সেখানেই ব্যাট হাতে ৩৫০ এর বেশি রানের লিড পায় খুলনা। ম্যাচ বাচাতে তাই জ্বলে উঠতেই হত রাজশাহীকে। আর সেখানেই দলের অবতার হন সাব্বির রহমান। পাচে নেমে করেন ১১২ রান, খেলেন ২২১ বল। শেখ মাহেদী, জীবন, রাতুল, সফরদের বলে দারুণ প্রতিরোধ করে ম্যাচ বাচান সাব্বির।
এরপর সেই ফর্ম সাব্বির ধরে রাখেন পরের ম্যাচেও। বরিশালের বিপক্ষে আবারো সেঞ্চুরির দিকেই হাটছিলেন সাব্বির।
তবে শতক না পেলেও শতক থেকে সামান্য দূরে ৮৬ রানে থামে সাব্বির রহমানের ব্যাট। ৫ ইনিংস শেষে ৩০০ অধিক রান করে এবারের এনসিএলে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক রান সংগ্রাহক এই সাব্বিরই।
সব মিলিয়ে রান করা সাব্বির তাই নির্বাচকদের আলাদা বার্তাই দিয়ে রাখবে। জাতীয় দলের হয়ে মাঠ কাপানো সাব্বির তাই পারফর্মেঞ্চ দিয়ে খুলে রাখলেন ফেরার দরজা। এবার এমন পারফর্মেঞ্চের ধারাবাহিকতা প্রকাশের বাকি আগামী দিনে।




