গোল করছেন, অ্যাসিস্ট করছেন, সতীর্থদের দিয়ে গোল করাচ্ছেন। নিকো পাজ যেন থামতেই চাইছেন না!
কোমোর জার্সিতে একের পর এক দারুণ পারফরম্যান্সে নিজের জাত চেনাচ্ছেন আর্জেন্টিনার এই তরুণ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার।
তাঁর এমন পারফরম্যান্সেই ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে সেস ফ্যাব্রেগাসের কোমো। সব মিলিয়ে নিকো পাজকে নিয়ে আর্জেন্টাইন সমর্থকদের প্রত্যাশা কেন বাড়ছে, সেটারই প্রমাণ দিলেন আরো একবার।
ফিওরেন্তিনার মাঠে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণে ধার দেখাচ্ছিল কোমো। ৩২ মিনিটে মাত্তিয়া লিবারালির গোলে এগিয়ে যাওয়ার চার মিনিট পরই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নিকো পাজ।
বাঁ দিক থেকে অ্যালেক্স ভায়ের দেওয়া ক্রসে প্রতিপক্ষের বক্সে সঠিক জায়গায় পৌঁছে যান এই আর্জেন্টাইন।
এরপর নিখুঁত হেডে বল জালে পাঠিয়ে ডেভিড দে গিয়াকে পরাস্ত করেন তিনি। উচ্চতা কাজে লাগিয়ে পাজের এমন হেডে গোল আলাদা করে মুগ্ধ করেছে ভক্তদের।
প্রথমার্ধে ফিওরেন্তিনা একটি গোল শোধ করলেও দ্বিতীয়ার্ধে আবারও ব্যবধান বাড়িয়ে দেয় কোমো। এবারও নেপথ্যে সেই নিকো পাজ।
৫৬ মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণ সামলে বল নিয়ে এগিয়ে গিয়ে সতীর্থ তাসোস দুভিকাসকে গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন তিনি।
পাজের পাস থেকে গোল করেন কোমোর গ্রিক স্ট্রাইকার দুভিস্কা। আর সেখানেই এক প্রকার জয় নিশ্চিত করে কোমো, উঠে আসে তালিকার পাচ নাম্বারে।
৬১ মিনিট খেলে ম্যাচে সর্বোচ্চ ৪ টি শট নেন নিকো পাজ। এর মাঝে দুটি ছিল অন টার্গেট শট। ১ বার করেন চাঞ্চ ক্রিয়েট।
এর বাইরে ৯০ ভাগের বেশি হারে দেন ২৮ টি সফল পাস। ১ বার ড্রিবলিং ও ২ বার দেন ফাইনাল থার্ডে পাস। মোট ৬ বার জয় করেন ডুয়েলস, ৩ বার ট্যাকেলের সাথে ৫ বার করেন রিকভারি।।সব মিলিয়ে করেন দুর্দান্ত এক পারফর্মেঞ্চ।
ক্লাবের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আর্জেন্টিনা জাতীয় দলেও নিজের গুরুত্ব বাড়াচ্ছেন পাজ। অক্টোবরের বেনিনের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে গোল করেছিলেন তিনি।
এর আগের দুই ম্যাচেই ছিলেন দারুণ উজ্জ্বল, গোল পান বুরকিনা ফাসো ও বলিভিয়ার সাথেও। এবার ক্লাবে এসে বজায় রাখলেন গোল এসিস্টের ধারা।
আর্জেন্টিনার ভবিষ্যৎ আক্রমণভাগে তাই নিকো পাজ হতে পারেন গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। এখন দেখার বিষয়, এই দুর্দান্ত ছন্দ কত দূর নিয়ে যেতে পারে আর্জেন্টিনার এই গোল্ডেন বয়কে!




