জাতীয় দলের ক্যারিয়ারটা মোটেও ছোট নয়, প্রায় দেড় দশকের বেশি সময় লাল সবুজের জার্সি পড়েছেন।
কিছুদিন আগেও লিজেন্ড লীগে করেছেন নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব। বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, অর্জনেও যার নেই কমতি। সেই রিয়াদ এবার আলোচনায় এলেন বিতর্কিত অভিযোগের মাধ্যমে।
আর সেটাই অবাক করেছে ভক্তদের। কেননা ক্যারিয়ারে যতবারই রিয়াদকে নিয়ে আলোচনা সমালোচনা হয়েছে, সব তার পারফর্মেঞ্চকে ঘিরেই।
মাঠের ক্রিকেটে রিয়াদকে অনেকে সমালোচনা করলেও এত বছরে মাঠের বাইরে রিয়াদের কোন কর্মকান্ড নিয়ে হয়নি সমালোচনা বা বিতর্ক।
সেই রিয়াদের অবসরের পর তাকে সামনে আনলো এক বিতর্কিত কান্ডের অভিযোগ।
আর সেই অভিযোগ তুলেছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। বাংলাদেশ থেকে নির্বাসিত এই অনুসন্ধানী সাংবাদিক এবার রিয়াদকে রাখেন মানিলন্ডারিং প্রমোটের অভিযুক্তদের তালিকায়। আর সেখানে রিয়াদের বিপক্ষে আনেন অবৈধ অর্থ পাচারের অভিযোগ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের এক পোষ্টে এমনটা জানান সায়ের। সেখানে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় তিনি ভানুয়াতো নামক একটি রাষ্ট্রের নাগরিকত্বে বিনোয়োগ প্রমোট করেছে ।
আর সেটা করতে তার খরচ হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশের টাকায় প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। আর সেখানেই এমন কাজ বাংলাদেশী এই ক্রিকেটার প্রমোট করেছে বলেই জানানো হয় সায়েরের পক্ষ থেকে।
কেননা ভানুয়াতুতে বাংলাদেশ থেকে বৈধ উপায়ে টাকা প্রমোশনের নেই কোন সুযোগ। অর্থ্যাৎ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ যেই কাজে বিদেশে বিনোয়োগ প্রমোট বা উৎসাহিত করেছেন, সেটা বাংলাদেশ থেকে বৈধভাবে করার নেই সুযোগ।
আর সেখানেই মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনেন সায়ের। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মত একজনের থেকে মানি লন্ডারিং প্রমোটের চেয়ে রোধের জন্য বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলেও মনে করেছেন সায়ের।
যদিও এইসব অভিযোগের কোন প্রমাণ মেলেনি। আনুষ্ঠানিকভাবে রিয়াদ সহ অন্য কারো ব্যাখ্যাও আসেনি।
রিয়াদ অনেক দেশেই ক্রিকেট খেলেছেন, হয়তবা অনেক বৈধ মাধ্যমই তার জানা ছিল এই বিনোয়োগে।
তবে যদি ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত এই মানি লন্ডারিংয়ের প্রমোটের সাথে যুক্ত হন রিয়াদ, তবে সেখানে শাস্তির মুখোমুখি হবার সম্ভাবনাও থাকবে এই সাবেক ক্রিকেটারের।
তবে রিয়াদও এমন বিষয়ের জবাব দিবেন দ্রুত, নিজের নামে আসা অভিযোগটা এবার কিভাবে সামাল দেন এই ক্রিকেটার সেটাই এখন দেখার বিষয়।




