হারারেতে সর্বশেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের সাথে করেছিলেন ৬৯ রান। সেই ৬৯ রানের পর সৌম্য বন্দনায় মেতেছিলেন অনেকে।
তবে এর আগের তিন ইনিংসে একবারও দুই অঙ্কের কোটা পুরণ করতে পারেননি সৌম্য সরকার। এমনকিব ৬৯ রানের ইনিংসের পরও দুই অঙ্ক ছুতে পারেননি তার পরের ইনিংসেই।
এই পাচ ইনিংসের ৪ টাই সৌম্য খেলেছেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। পেস বলে সৌম্য ভালো বলে সুনাম আছে, বিশেষ করে পেস ও বাউন্সি কন্ডিশনে।
সেই পেসের বিপক্ষে হিমশিম খাচ্ছেন সৌম্য, মুজারবানি বা এনগ্রাভারা তাকে আউট করছেন বলে কয়ে। শুরুতে নামলে সৌম্য হয়ে যাচ্ছেন তাই ফ্রি উইকেট।
অবহেলিত বলে অনেক ভক্ত চিৎকার করলেও শেষ ১২ ইনিংসে মাত্র দুইবার ৫০ উর্দ্ধ রান করেন সৌম্য সরকার।
তবে এর মাঝে ৭ বার সৌম্য ফিরেন ১০ এর নিচে রান করে, অর্থ্যাৎ সিঙ্গেল ডিজিটে ফিরে। রানক্ষরা এতটাই যে, শেষ ১২ ইনিংসে সৌম্যের গড়টা ৩৩.৮ থেকে নেমে এসেছে ৩২.০১ এ। তবুও সমালোচনা দূরে থাক, উলটো অনেকেই মনে করছেন সৌম্যই সেরা সমাধান।
অনেকে সৌম্যকে এগিয়ে রাখেন সাইফ হাসানের থেকে। উলটো সাইফকে নিয়ে ট্রল ও সৌম্যকে বৈষম্যের কথাই আছে।
তবে শেষ দুইজনের পারফর্মেঞ্চের গ্রাফ করলে পার্থক্য পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। শেষ ১২ ম্যাচে দুইজনের দুই অর্ধশতক। উলটো সিঙ্গেল ডিজিট রানে সৌম্য আগানো সাইফের থেকে। অর্থ্যাৎ কোন পরিসংখ্যান কথা বলছেনা এই বাহাতি ব্যাটারের।
এমনকি ঘরোয়া লীগের পরিসংখ্যানও না৷ গত বছর বিপিএল থেকে টেষ্ট আসর, কোথাও ভালো রান করছেননা সৌম্য।
১১ বছর ধরে দলের সাথে থেকেও সৌম্যের এমন পারফর্মেঞ্চ হতাশার চেয়েও যেন বেশি কিছু। বারবার তার উপর আস্থা রাখলেও সেটাকে মোটেও বাস্তবায়ন করতে পারছেননা এই ব্যাটার।
ধারাবাহিকভাবে বড় রান করতে তো পারছেনইনা, উলটো শুরুর সুইং সামলাতেও খাচ্ছেন হাবি। এমনটা হলে জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া সময়ের ব্যাপারই হবে সৌম্যের জন্য।
ফর্মের উন্নতি না হলে সৌম্যের জন্য ২০২৭ বিশ্বকাপ খেলাও হবে কঠিন। কেননা তার বাউন্স ও সুইংএ যে স্ট্রাগল দেখা যাচ্ছে, তাতে বাউন্সি কন্ডিশনে সৌম্যকে দরকার এই যুক্তি আগামী দিনে হবেনা গ্রহণযোগ্য। সব মিলিয়ে দেখা যাক, দেশের ক্রিকেটের বড় সম্ভাবনা এই বয়সে এসেও খুজে পান কিনা নিজের ছন্দ।




