১০ অভার শেষে দলীয় রান ৯৪, মাত্র এক উইকেটের পতন। দ্বিতীয় উইকেট উইন্ডিজ যোগ করে শতরান।
সেখান থেকে বড় কিছুর স্বপ্নই দেখেছিল উইন্ডিজ দল, হয়ত লক্ষ্য ছিল ২০০ ছাড়িয়ে যাবে তারা।
তবে শেষ পর্যন্ত ১৫০ এর কোটাও পুরণ করতে পারেনি সফরকারীদের। নিজের জাদুকরী বোলিং মায়ায় উইন্ডিজকে বেধে রাখেন ফিজ।
শুরু থেকে শেষ, এদিন ফিজ বল হাতে যেমন রান চাপিয়েছেন, আবার তুলে নিয়েছেন উইকেটও।
নিজের শুরুর দুই অভারে রান দেন ৬ ইকোনমিতে, যখন অভারে প্রায় ১০ করে রান করছিল উইন্ডিজ দল।
এরপর ফিজ বোলিংএ আসেন ১৩ তম অভারে। মাঝে দুই উইকেট হারালেও তখনও ক্রিজে ব্যাটসম্যান শাই হোপ, যিনি ছিলেন ৫৫ রানে অপরাজিত।
এক প্রান্তে হোপ থাকলে যেকোন সময় ভয়াবহ হতে পারে উইন্ডিজ। তবে ভয়ঙ্কর হবার আগেই হোপকে ফেরান ফিজ। ফিজের স্লোয়ার কাটারে আউট হয়ে যান হোপ।
এরপর ফিজ বোলিংএ আসেন শেষ অভারে। অষ্টম উইকেটে ছোটখাটো পার্টনারশিপ করে উইন্ডিজ, তাসকিনের আগের অভার থেকে আসে ১০ রান। তখন ১৬০ এর অধিক রানে ফোকাস ছিল উইন্ডিজের, শেষ ম্যাচে ১৯ অভার শেষেই এমনটাই ছিল উইন্ডিজের অবস্থা। শেষ অভারে ২২ রানই বাংলাদেশকে হারিয়ে দেয় ম্যাচ থেকে।
তবে এদিন যে বল করতে আসেন দ্যা ফিজ। শুরুর বলেই ফেরান রোমারিও শেফার্ডকে, তার শর্ট বলে হাকাতে গিয়ে জাকের আলীর ক্যাচে পরিণত হন শেফার্ড। এরপরের বলে আবারো উইকেট ফিজের। এবার ফিজকে খেলতে না পেরে সরাসরি বোল্ড খেরি পেরি। শেষ পর্যন্ত ফিজের অভার থেকে আসে মাত্র ৫ রান, শেষ বলে আরো একবার রান আউট করেন ফিজ।
অবশ্য এতকিছু যেন রুটিন ওয়ার্ক হয়ে গিয়েছে ফিজের জন্য।
সিরিজ হোক, ফ্রাঞ্চাইজী হোক বা বড় মঞ্চ, প্রতিপক্ষ যেই হোক ফিজ এই কাজ করে আসছেন নিয়মিত ভাবে। এক ফিজের কারণে শেষের দিকে ম্যাচে থাকে বাংলাদেশ। এক ফিজই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত হয়ে থাকেন ব্যাটসম্যানদের আতঙ্ক।
মুস্তাফিজুরের মত বোলার পাওয়া যে কোন দলের জন্যই হবে আর্শীবাদ। আর সেই আর্শীবাদে যে উপকৃত হচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট, তাতে নেই সন্দেহ। যে কারণে ফিজ শুধু দেশসেরা না, বিশ্বসেরার কাতারে থাকা অন্যতম বোলার বাংলার কাটার মাষ্টার।




