অনেকে বলেন বয়সটা ক্রিশ্চিয়ান রোনালদোর জন্য সংখ্যা। নেইমার জুনিয়ারের ক্ষেত্রেও তাই।
তবে দুইজন ক্যারিয়ারে কথাটা যেন বিপরীতমুখী। ক্রিশ্চিয়ানো নিজেকে ফিট রেখে ৪১ এও মাঠে নামার অপেক্ষায় আছেন, অপরদিকে একের পর এক ইঞ্জুরিতে ৩৪ এই শেষের কথা ভাবছেন নেইমার জুনিয়ার। এমনকি সংবাদমাধ্যমে নিজের শেষের কথা জানান তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে কেজ টিভিতে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এমনটা বলেন নেইমি।
সেখানে নিজের অবসরের সময় নির্ধারণ করে দেন নেইমি। সেটা এই বছরের মধ্যেই পড়বে। অর্থ্যাৎ এটাই হতে পারে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেইমারের শেষ বছর।
একইসাথে অবশ্য নিজের ফিউচার প্লান নিয়ে বলেন নেইমার। সেখানে প্রাধান্য দেন বিশ্বকাপকে।
তবে সান্তোসের জন্যও করার ইচ্ছার কথা জানান তিনি। সান্তোসের হয়ে এই মৌসুমে প্রতিটা ম্যাচ ফিট হয়ে খেলার ইচ্ছার কথা জানান। সেটা বাস্তবে না হলেও আগামী দিনে পুর্ণ ফিট হয়েই বাকি ম্যাচ খেলার ইচ্ছাপ্রকাশ করেন।
তাকে ঘিরে হওয়া কটু কথাও আসে নেইমারের কানে। নিজের সাক্ষাৎকারে সেটাও উল্লেখ করেন এই সেলেসাও তারকা৷
সবকিছু মিলিয়েই কেজ টিভিকে এক সাক্ষাৎকার দেন নেইমার।
সেখানে নেইমার বলেন, ‘এখন থেকে কী হবে আমি জানি না, আগামী বছর কী হবে তাও জানি না। হতে পারে ডিসেম্বর এলে আমি অবসর নিতে চাইব।
এখন আমি বছর ধরে এগোচ্ছি। এই বছরটা সান্তোস এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বকাপ সামনে। তাই আমার জন্যও এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ।’
নেইমার যোগ করেন, ‘আমি চেয়েছিলাম এই মৌসুমে শতভাগ ফিট হয়ে খেলতে, তাই কিছু ম্যাচে নিজেকে বিরত রেখেছি, নিজের একটু বেশি যত্ন নিয়েছি।
আমি জানি অনেকেই অনেক বাজে কথা বলে, কিন্তু তারা প্রতিদিন কী ঘটে তা জানে না, পরিস্থিতি কেমন থাকে তাও বোঝে না।
সান্তোস খুব ভালো পরিকল্পনা করেছিল, যা আমাকে এ দিক থেকে অনেক সাহায্য করেছে।
অবশ্যই আমি আমার দলকে সেরা উপায়ে সাহায্য করার জন্য ফিরতে চেয়েছিলাম, কিন্তু পুরোপুরি সুস্থ, ব্যথামুক্ত, ভয়মুক্ত অবস্থায় ফিরতে একটু অপেক্ষা করেছি।
শেষ ম্যাচে আমি খুব ভালোভাবেই ফিরে আসতে পেরেছি।’
অবসরের তারিখ দিলেও বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নের কথা জানান নেইমার, এখনও দেন প্রায় ১ বছরের মত সময়। এই সময়টায় অর্জনে ও মাঠে সেরা নেইমারকে দেখা যাক, এটাই চাওয়া সব ভক্তদের।




