সৌদি আরবের একটি গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আল-শাবাবের ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার আহমেদ শারাহিলি রমজান মাসে খেলার অভিজ্ঞতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন।
তিনি জানান, সৌদি প্রো লিগে খেলা আরব ফুটবলারদের জন্য রোজা রাখা ততটা কঠিন নয়, কারণ তারা ছোটবেলা থেকেই রমজানে সিয়াম পালনে অভ্যস্ত। তবে একই পরিস্থিতি অ-আরব বা বিদেশি খেলোয়াড়দের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে।
শারাহিলির ভাষ্য অনুযায়ী, রমজানে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলা সহজ কাজ নয়। তারপরও কেউ কেউ শারীরিক ও মানসিকভাবে মানিয়ে নিতে পারেন, তিনি নিজেও তাদের একজন।
কিন্তু বিদেশি ফুটবলারদের জন্য খাদ্যাভ্যাস, ঘুমের সময়সূচি ও দৈনন্দিন রুটিন বদলে ফেলা সহজ হয় না। ফলে তাদের মানিয়ে নিতে বাড়তি পরিশ্রম করতে হয়।
সাক্ষাৎকারে তিনি আরও একটি চমকপ্রদ তথ্য জানান। শারাহিলির দাবি, গত রমজানে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কৌতূহলবশত দুই দিন রোজা রেখেছিলেন।
স্থানীয় সংস্কৃতি ও রোজার অভিজ্ঞতা বোঝার আগ্রহ থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তবে সেই অভিজ্ঞতার পর রোনালদো উপলব্ধি করেন, রোজা রেখে পেশাদার ফুটবলের চাপ সামলানো মোটেও সহজ নয়।
সাধারণ মুসলিমদের আবেগ ও ধর্মীয় ব্যাপারে বরাবরই কৌতূহলী পর্তুগীজ তারকা।সৌদি লীগে খেলার কারনে,নিয়মিত সৌদি পোশাক বা জুব্বা পড়তে দেখা যায় তাকে।
ইসলাম ধর্মের ব্যাপারে যেমন তিনি ইতিবাচক,তেমনি নির্যাতিত মুসলমানদের সম্পর্কেও তিনি সোচ্ছার এবংকি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বহুবার।
ইনশাআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ শব্দগুলোও আয়ত্ত করে নিয়েছেন এই ইতিহাস সেরা গোল স্কোরার।




