গাজা উপত্যকায় একটি আধুনিক জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণে সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে- আয়োজিত এক বৈঠকে এ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর ‘বোর্ড অব পিস’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে।
ওই সভায় জানানো হয়, গাজায় মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে নয়টি দেশ মোট ৭ বিলিয়ন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
পাশাপাশি আরও পাঁচটি দেশ একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষাকারী বাহিনীতে সৈন্য পাঠাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। এই সামগ্রিক সহায়তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়েছে ফিফা।
ফিফা সভাপতি বলেন, শুধু ঘরবাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল কিংবা সড়ক পুনর্গঠন করলেই চলবে না; মানুষের আশা, আবেগ ও বিশ্বাসকেও পুনর্গঠিত করতে হবে। তার মতে, ফুটবল সেই শক্তি রাখে যা মানুষকে একত্রিত করতে পারে এবং নতুন আশার সঞ্চার করতে পারে।
সংস্থাটি ২০ থেকে ২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার একটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণে ৫০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
এছাড়া ১৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে একটি ফুটবল একাডেমি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও রয়েছে।
তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলা বিস্তারে ৫০টি ছোট আকারের মিনি পিচ তৈরিতে ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার এবং পাঁচটি পূর্ণাঙ্গ মাঠ নির্মাণে প্রতিটির জন্য ১ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ দেওয়ার কথাও জানিয়েছে ফিফা।
উল্লেখ্য, গাজার আলাদা কোনো জাতীয় ফুটবল দল নেই। গাজা ও পশ্চিম তীর মিলিয়ে গঠিত ফিলিস্তিন দল ১৯৯৮ সাল থেকে ফিফার স্বীকৃতি পেলেও এখনো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে পারেনি। তবুও ফিফার বিশ্বাস, ফুটবলই হতে পারে ঐক্য ও আশার নতুন ভিত্তি।




