কিছুদিন আগে বিগ ব্যাশ খেলেছেন। সাকিব আল হাসানের পর সে আসরে পান সুযোগ, আর সুযোগেই নিজেকে শতভাগ মেলে ধরেন রিশাদ হোসেন। বাংলার এই লেগী শুরুর আসরেই ছিলেন বিগ ব্যাশের অন্যতম সেরা বোলার। লেগ স্পিন ঘুর্ণিতে সবাইকে কুপকাত কাড়িয়ে নজর কাড়েন আলাদাভাবে।
যে কারণে বিগব্যাশের পর পিএসএলের নিলাম থেকেও ডাক আসে রিশাদ হোসেনের। কোটি টাকায় তাকে কিনে দেয় পিএসএলের ক্লাব রাওয়ালপিন্ডি।
এবার আরো এক ফ্রাঞ্চাইজী লীগের নিলামে আছে রিশাদ হোসেনের নাম। ইংল্যান্ডের লীগ হ্যা হান্ড্রেডের নিলামে নাম লেখিয়েছিলেন মোট ২৩ বাংলাদেশী ক্রিকেটার। কিন্ত সেখানে শেষ পর্যন্ত টিকে গেছেন মাত্র ২ জন।৷ লিটন, তাসকিন, মিরাজ, শান্তরা নাম দিলেও নিলামের জন্য কাউকেই করা হয়নি চুড়ান্ত। ৭১০ জনের মাঝে নিলামে চুড়ান্ত করা হয় ২৪৩ জনকে। যার মাঝে আছে রিশাদের নাম।
শুধু রিশাদ একা নয়, এই তালিকায় আছেন আরো এক বাংলাদেশী ক্রিকেটার। এই মুহুর্তে বাংলার ক্রিকেটের আলোচিত নাম মুস্তাফিজুর রহমান। সেই ফিজকেও রাখা হয়েছে দ্যা হান্ড্রেড এর নিলামে। এমনকি ফিজের দামও রাখা হয়েছে সর্বোচ্চ ক্যাটাগরিদের মাঝে।
আসরের জন্য ফিজের মুল্য রাখা হয়েছে ১ লাখ পাউন্ডের ক্যাটাগরিতে। অপরদিকে ৭৫ হাজার পাউন্ডের ক্যাটাগরিতে আছেন রিশাদ হোসেন। অর্থ্যাৎ হান্ড্রেডে সুযোগ পেলে দুইজনেরই কোটি টাকা আয় হচ্ছে, সেটা তালিকা থেকেই হওয়া যায় নিশ্চিত।
কিন্ত এই আসরে কি সুযোগ পাবেন রিশাদ, ফিজরা? এই মুহুর্তে এই দুইজনই আন্তজার্তিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্রান্ডে পরিণত হচ্ছেন। একটা সময় ফ্রাঞ্চাইজী ক্রিকেটে বাংলাদেশী মানেই আসত সাকিব আল হাসানের নাম। সেই জায়গাটা এখন গিয়েছে রিশাদ ও ফিজের দিকে। ফিজ তো গ্লোবাল আইকনে পরিণত হচ্ছেন। আর ইংল্যান্ডের কন্ডিশনে রিশাদ বেশ কার্যকরী। এর বাইরে অন্য লীগগুলোতেও আছেন ফর্মে। ফ্লাট পিচে রিশাদের ভালো বোলিং দক্ষতা নিশ্চয়ই নজর কাড়বে হান্ড্রেডের দলগুলোর। তাই যদি দুইজনই পেয়ে যান এই লীগে সুযোগ, তাতে অবাক হবার থাকবেনা মোটেও।
শেষ পর্যন্ত রিশাদ, ফিজরা সুযোগ পান কিনা, সেটা জানা যাবে ১১ মার্চের নিলামের পরই। তবে এই মুহুর্তে বিশ্বে বাংলার পতাকা বহন করছেন এই দুই ক্রিকেটার। ফ্রাঞ্চাইজী ক্রিকেটে বাংলাদেশের দুই পোষ্টার বয় তাই রিশাদ হোসেন ও মুস্তাফিজুর রহমান।




