সর্বশেষ ম্যাচে দারুণ শুরু করেছিলেন, তবে উইকেট হারান দ্রুত। তবে সেদিনের ২০ রানের ইনিংসে একটা ফেরার বার্তা দিয়েছিলেন সাইফ।
সেই ফেরাটা এবার সাইফ করলেন দ্বিতীয় ম্যাচে। সাইফের থেকে যে ধরণের পারফর্মেঞ্চ আশা করে ভক্তরা, সেটাই অজিদের বিপক্ষে দিলেন সাইফ। আর তাতেই প্রায় ২০০ এর টার্গেটেও সাবলীল ছিল বাংলাদেশ, দেখায় দারুণ প্রতিরোধ।
ওপেনিংএ নেমে শুরুতেই তানজিদের সাথে তান্ডব চালান সাইফ। মাত্র ২২ বলে এই জুটি তোলে ৪৮ রান। যেখানে বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন তানজিদ তামিম। তবে সাইফ হাসানও ছাড় দেননি। স্পেন্সার জনসন, ইলিশদের শাসন করেছেন তিনি।
তবে তানজিদ আউট হলে আবারো ভেঙ পড়ার আশঙ্কা আসে বাংলাদেশ দলের। তিনে নেমে সৌম্য সরকারও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ।
৯ বলে ১৫ করে যান ফিরে। তবে এক প্রান্ত আগলে রাখেন সাইফ হাসান। পারভেজ ইমন এক প্রান্তে বাউন্ডারি হাকাতে থাকেন, সাইফ অন্য প্রান্তে ধরে রাখেন ইনিংস। আবার সুযোগ বুঝে নিজেও হাকান বাউন্ডারি।
এদিন সাইফের রানে ফেরার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ছিল তার শট। যে ধরণের মনমুগ্ধকর শট খেলে সাইফ সবার নজর কাড়েন, সেই শটেই আবারো সাবলীল এই ব্যাটার।
শুরুতে ডাউন দ্যা উইকেটে এসে শট খেলে চার হাকান সাইফ। এরপর নু লুক শটে হাকান ছক্কা। স্পিনে কাবু করতে চেয়েছিল অষ্ট্রেলিয়া দল। তবে ইনসাইড আউট শটে স্পিনে চার হাকান সাইফ হাসান। আর সেখানেই এলেমেলো হয়ে যায় প্রতিপক্ষের পরিকল্পনা।
শেষ পর্যন্ত অবশ্য ফিফটি তুলে নিতে পারেননি সাইফ হাসান। অনেক ওয়াইড এক বলে খেলে ফেলেন ভুল শট। তবে ফেরার আগে সাইফের ব্যাট থেকে আসে ৪২ রান।
প্রায় ১৩০ স্ট্রাইক রেটের সেই ইনিংসটাই বাংলাদেশকে দেখায় পথ। যদিও সাইফ ম্যাচ শেষ করে আসতে পারলে দল উপকৃত হতে পারত।
তবে এতদিন পর সাইফের এই ফর্ম বাংলাদেশকে দিবে স্বস্তি। টি২০ ক্রিকেটে সাইফ হাসান বাংলাদেশের আশার নাম।
এশিয়া কাপে যে ধরণের পারফর্মেঞ্চ দেখান সাইফ, আফগানদের বিপক্ষে যেভাবে জ্বলে উঠেন, তাতে তাকে নিয়ে আশা পায় বাংলাদেশ।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে জাগে আশঙ্কাও, সাব্বিরদের মত সাইফও যাবেন হারিয়ে? সেই শঙ্কা কিছুটা হলেও কাটাবে সাইফের ইনিংস। একইসাথে বড় টার্গেটে কিভাবে ব্যাট করতে হয়, সেটারও পাওয়া গেছে উদাহরণ।




