ফ্রাঞ্চাইজী ক্রিকেটে একদম নতুন নয় মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে লঙ্কা লীগে নিজেকে চেনানোর ছিল ব্যাপার।
গল গ্যালান্টাসের হয়ে সেখানে মিরাজকে দেওয়া হচ্ছিলও সুযোগ। কিন্ত সেই সুযোগ কাজে লাগানো দূরে থাক, পুরোপুরি ব্যার্থ মেহেদী মিরাজ।
আসরের শুরুর ম্যাচ দল যেখানে করেছে ২০০ এর অধিক রান, মিরাজ ১৭ বলে করেছেন মাত্র ১০ রান।
এরপর বোলিংএ এসে ২ অভারে দেন ২৯ রান, সেখান থেকে আর তাকে আনা হয়না বোলিংএ। দ্বিতীয় ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নেমে ১৩ রানের বেশি করতে পারেননি মিরাজ, সেদিন আর তাকে বল তুলে দেওয়ার সাহসই পাননি অধিনায়ক।

এরপর আরো দুই ম্যাচ খেলেন মিরাজ। এবার বল হাতে ২ অভারে দেন ২১ রান, আবারো তুলতে পারেননি উইকেট।
সে ম্যাচে ব্যাট হাতে করেন ১৩ বলে ১৬ রান। যেখানে তার দল করে ১৮০ রান, মিরাজ ফিনিশিংএ নেমে ব্যাটিং করেন ১২০ স্ট্রাইক রেটে।
সেখান থেকে মিরাজকে ভরসা করে আবারো নামানো হয় ওপেনিং পজিশনে। এবার মিরাজ করতে পারেন মোটে ৫ রান। এদিন বল হাতেও ছিলেন না মিরাজ৷ অর্থ্যাৎ বার বার ব্যাট ও বল হাতে সুযোগ পেয়েও ব্যার্থ বাংলাদেশের অডিয়াই অধিনায়ক।
বিপরীতে সাকিব আল হাসানের দিকে তাকানো যাক। আসরের শুরুর ম্যাচে সাকিব ৪ অভার বল করেছেন, ৩ ইকোনমিতে মাত্র ১২ রান দিয়ে নিয়েছেন এক উইকেট।
এরপর এক ম্যাচে ৩ অভারে ২৭ রানে একটি উইকেট নেন সাকিব, ইকোনমি ছিল বোলিং ইকোনমির চেয়ে কম।
কলম্বোর বিপক্ষেও জ্বলে উঠেন সাকিব আল হাসান। সে ম্যাচে শেষে নেমে ৫ বলে করেন ১০ রানের ক্যামিও, এমনকি বল হাতে তুলে নেন এক উইকেট।
ক্যামিও ইনিংস খেলেন আরো এক ম্যাচে। বল হাতে এক ম্যাচে ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেছেন। আর এছাড়া এক ইনিংস বাদে সব জায়গায় নিজেকে মেলে ধরেছেন।
অথচ ৩৯ বছর বয়সী এই সাকিব দীর্ঘদিন নেই জাতীয় দলে। এমনকি চোখের সমস্যার জন্য সাকিব আল হাসানের ব্যাটিং শেপটাও নেই আগের মত।
অপরদিকে জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। লীগেও তাকে গুরুত্বপূর্ণ পজিশনে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বারবার।
কিন্ত একজন প্রমাণ করতে পারলেও, আরেকজন রীতিমতো হচ্ছেন ব্যার্থ। দুইজনের যোগ্যতার পার্থক্য যেন ঠিক এখানেই। আর এই কারণেই সাকিব আল হাসান একজনই বাংলাদেশে, তার মত আসবেন না অন্য কেউ।




