বিশ্বকাপের পর চেহারায় অস্ত্রোপচার করে নতুন রূপে হাজির হয়েছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তবে মাঠের পারফরম্যান্সে সেই চেনা ছন্দে নেই রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা।
এর মধ্যেই একের পর এক বিপদে পড়ছেন তিনি। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে লাল কার্ড দেখে নিষেধাজ্ঞার শঙ্কায় থাকা ভিনির ব্যক্তিগত জীবনেও নেমে এসেছে অস্থিরতা। প্রেমিকা ভার্জিনিয়া ফনসেকার সঙ্গে বিচ্ছেদের খবরও নিশ্চিত হয়েছে।
অর্থাৎ মাঠের বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সম্পর্ক ভাঙার খবর সামনে এসেছে। ব্রাজিলের জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার ভার্জিনিয়া ফনসেকা নিজেই তাঁদের বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তাঁর দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পারস্পরিক সম্মতিতেই সম্পর্কের ইতি টেনেছেন তাঁরা।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ভার্জিনিয়া ও ভিনি জুনিয়র আর একসঙ্গে নেই। তাঁদের মধ্যে কোনো ঝগড়া বা বিবাদ হয়নি।
শুধু পারস্পরিক সম্মতিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তাঁরা আর প্রেমের সম্পর্কে থাকতে চান না।’
ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসি স্পোর্টও ভিনিসিয়ুস ও ফনসেকার বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ করেছে। এর আগে ব্রাজিলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়।
প্রতিবেদনগুলোতে দাবি করা হয়েছিল, ভিনিকে ছাড়াই ফনসেকার মিয়ামি সফরকে কেন্দ্র করে বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়ায়।
তবে তাঁর দপ্তর জানিয়েছে, সন্তানদের বাবা জে ফেলিপের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ করে দিতেই ওই সফর ছিল।
এদিকে মাঠেও বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন ভিনিসিয়ুস। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে লা লিগার ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে গোল করলেও শেষ পর্যন্ত তা বাতিল হয়।
ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির পর্যালোচনায় দেখা যায়, গোলের আক্রমণ গড়ে ওঠার সময় ভিয়ারিয়ালের নাথান সালিবার চুল টেনে ধরেছিলেন তিনি।
পরে রেফারি ইসিদ্রো দিয়াস দে মেরা গোল বাতিলের পাশাপাশি ভিনিকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান।
ক্যারিয়ারে এটি ভিনিসিয়ুসের চতুর্থ লাল কার্ড। এই ঘটনার কারণে লা লিগায় দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়ার শঙ্কা রয়েছে তাঁর।
তেমনটি হলে আগামী ২৫ অক্টোবর বার্সেলোনার বিপক্ষে মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোতে খেলতে নাও পারেন রিয়াল তারকা।
তার আগে সেভিয়ার বিপক্ষেও মাঠে নামা অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে তাঁর।
সব মিলিয়ে মাঠের বিতর্ক, সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা আর প্রেমিকার সঙ্গে বিচ্ছেদ, সবকিছু মিলিয়ে কঠিন সময় পার করছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।




