বয়সটা ২৯ বছর। মেসির অবর্তমানে আর্জেন্টিনার সিনিয়ার খেলোয়াড়দের মধ্যে অন্যতম লাউতারো মার্টিনেজ।
আক্রমণভাগে তো সবচেয়ে সিনিয়ার মুখ এই এলতোরোই। তাই দায়িত্বটাও তার ঘাড়েই আসে বড় আকারে।
জাতীয় দলের হয়ে সেই দায়িত্বের পরিপক্বতা দেখিয়েছেন লাউতারো মার্টিনেজ। এবার ক্লাবে এসে জোড়া গোল করে দেখান নিজের ধারাবাহিকতা।
ঘরের মাঠে চ্যাম্পিয়নস লীগের ম্যাচে ক্লাব ব্রাগার বিপক্ষে মাঠে নামে ইন্টার মিলান। হাই স্কোরিং ম্যাচ হলেও এদিন ব্রাগার বিপক্ষে একাই লড়াই করেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার।
৪-৩ গোলে দল হারলেও লাউতারোর থেকেই আসে জোড়া গোল। শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের গোলের জবাব দেন লাউতারো মার্টিনেজ।
প্রথম গোল আসে ৪৩ মিনিটে। তখন ১-০ গোলে পিছিয়ে ইন্টার মিলান। মার্কোস থুরাম বল নিয়ে যান লেফট উইঙ থেকে।
সেখান থেকে বল বাডানো হয় ফুলব্যাক ডিম্যাক্রোর দিকে। নিজে বল পেয়ে লাউতারোকে পাস দেন ডিম্যাক্রো। তবে এমন পাসেও প্রতিপক্ষের মার্কিংএ ছিলেন লাউতারো।
এমন সময় দারুণভাবে ঘুরে গিয়ে নিজের জন্য স্পেস আদায় করেন লাউতারো মার্টিনেজ। এরপর সেখান থেকে ডান পায়ে করেন শট। যে শটটা বোকা বানায় গোলরক্ষককে, ম্যাচে ফিরে ইন্টার মিলান।
এরপর ৮০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন লাউতারো মার্টিনেজ। এবার বামদিক থেকে স্পেন্স বল বাড়ান বনির উদ্দেশ্যে।
বনির থেকে ডিবক্সের সামনে বল পান এস্পোসিতো। তবে এস্পোসিতোর করা সেই ডিবক্সের সামনে থেকে শট ফিরিয়ে দেন ব্রাগা গোলরক্ষক ইয়ান সোমার। আর সেখানেই পজিশনিং দক্ষতা দেখান মার্টিনেজ। ডিবক্সে নিজে ফিরতি শট করে আদায় করেন গোল।
জোড়া গোল করলেও অন্যদের ব্যার্থতায় ৪-৩ গোলে হারতে হয় লাউতারোর দল ইন্টার মিলানকে।
পুরো ম্যাচে ১২ শট করেন লাউতারো, হয়ত গোলের সংখ্যা বাড়তে পারত আরো যদি ইয়ান সোমার দেয়াল না হয়ে দাড়াতেন। এরপরও চ্যাম্পিয়নস লীগে কাল রাতে পারফর্মেঞ্চের দিক থেকে লাউতারো সেরাদের কাতারেই থাকবেন।
সেই সেরাদের কাতারে লাউতারো আছেন আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগেও, আবার সেরা বললেও ভুল হওয়ার সুযোগ কম। অভিজ্ঞতা, পারফর্মেঞ্চ ও ধারাবাহিকতা সবই সঙ্গী এই স্ট্রাইকারের।
ক্লাবে দীর্ঘদিন দলের প্রধান খেলোয়াড় ছিলেন, দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন বড় আসরে। জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে কাজে লাগিয়েছেন সর্বোচ্চ।
নিজেকে এবার তাই অন্য পর্যায়েই মেলে ধরার পালা তার। লাউতারো এই কাজটা পারবেন, এমনটাই বিশ্বাস আর্জেন্টাইন ভক্তদের।




