নেইমার ও মোহাম্মদ সালাহর মতো তারকাদের অনুপস্থিতি ব্রাজিল ও লিভারপুলের জন্য বড় পরিবর্তন হলেও তাঁদের বিদায়ে থেমে থাকবে না দুই দলের পথচলা।
বরং নতুন খেলোয়াড়দের নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এগিয়ে যেতে হবে উভয় পক্ষকে। এমন মন্তব্যই করেছেন ব্রাজিলের গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকার।
তাঁর মতে, দুই তারকার অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকলেও ফুটবলে পরিবর্তনই স্বাভাবিক বাস্তবতা।
ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমার এবং লিভারপুলের সাবেক তারকা সালাহ নিজ নিজ জায়গায় রেখে গেছেন উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
তাঁদের সঙ্গে দীর্ঘদিন খেলেছেন অ্যালিসন। ফলে দুই তারকার বিদায়ের তাৎপর্য তাঁর কাছে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

তবে অতীতের সাফল্যের স্মৃতি ধরে রাখার পাশাপাশি নতুনদের নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ওপরও জোর দিয়েছেন এই গোলরক্ষক।
নেইমার ও সালাহর অবদান প্রসঙ্গে অ্যালিসন বলেন, ক্লাব কিংবা জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় একজন খেলোয়াড় সব সময়ই অবদান রাখেন।
তবে কোনো খেলোয়াড়ের বিদায়ে দলের কার্যক্রম থেমে থাকে না। ব্রাজিল ও লিভারপুলও সেই ধারাবাহিকতায় নিজেদের এগিয়ে নিচ্ছে।
লিভারপুলের বর্তমান দল নিয়েও আশাবাদী অ্যালিসন। তাঁর মতে, নতুন খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তিতে দলটির স্কোয়াড শক্তিশালী হয়েছে।
একইভাবে ব্রাজিলও দল পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ফলে পুরোনো তারকাদের অনুপস্থিতি সামাল দিয়ে নতুন বাস্তবতায় নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে দুই দলেরই।
তবে নেইমার ও সালাহর অভাব যে সমর্থকেরা অনুভব করবেন, সেটিও স্বীকার করেছেন অ্যালিসন। ফুটবলপ্রেমীরা অতীতের স্মরণীয় মুহূর্তগুলো বারবার ফিরে দেখতে ভালোবাসেন।
দুই তারকার কাছ থেকে পাওয়া আনন্দ ও সাফল্যের স্মৃতি তাঁদের মনে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
কীর্তির দিক থেকে দুজনই নিজ নিজ জায়গায় অনন্য। ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নেইমারের দখলে।
অন্যদিকে লিভারপুলের হয়ে ২৭২ গোল করেছেন সালাহ। ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে দুটি প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের কৃতিত্বও রয়েছে তাঁর।
দুই তারকার অবদানকে স্বীকার করেও অ্যালিসনের বক্তব্য স্পষ্ট, ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ও অতীতের সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও কোনো দল অনির্দিষ্টকাল একজন খেলোয়াড়কে কেন্দ্র করে চলতে পারে না।
নতুনদের সুযোগ দিয়ে এবং সময়ের সঙ্গে নিজেদের বদলে নিয়েই ব্রাজিল ও লিভারপুলকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।




