আমিরাতে আগের ম্যাচে বড় জয় বাংলাদেশ দলের। সেখানে আগে ব্যাট করে ২৫০ রান তোলে বাংলাদেশ দল।
সেই রান তাড়া করতে নেমেই ৩৩ রানে হেরে যায় আফগানিস্তান। সিরিজ বাচাতে তাই এবার ৩০০ রান বোর্ডে জমা করে আফগানিস্তান অনুর্দ্ধ ১৯ দল। কিন্ত শেষ পর্যন্ত সেই রান করেও জিততে পারেনি তারা।
আরব আমিরাতের মাঠে এদিন বাংলাদেশের বিপক্ষে শুরুতে ব্যাট করতে নামে আফগানিস্তানের যুবারা।
ব্যাট হাতে শুরুতেই ভালো জুটি গড়ে আফগানিস্তান, পাওয়ারপ্লেতে তুলে ৬০ রানের বেশি। এর মাঝে একবারই সাফল্য পায় বাংলাদেশ।
দলীয় ৯ম অভারে ওপেনার নাদারজানকে ফেরান পেসার রুবায় ইসলাম রিজন, আউট হবার আগে ২৩ করেন নাদারজান।
তিনে নামা ঝাকাইলকে নিয়ে এরপর ৪৪ রানের জুটি গড়েন আরেক ওপেনার ইহসাস। তবে অর্ধশতক তোলার পর স্পিনার জারিফ সিয়ামের বলে বিদায় নেন তিনিও। অপরদিকে ইসহাসের বিদায়ের পর দ্রুত ফিরে যান যাকাইলও। জারিফের বলে রাকিবুলকে ক্যাচ দেওয়ার আগে তিনি করেন ২৬ রান।
সেখান থেকে দলের হাল ধরেন চারে নামা নোমান সালারজাই। এই সময় হামজার সাথে করেন ৬৯ রানের জুটিও।
পাচে নেমে হামজা করেন ৪৪ বলে ২৯ রান, ফিরে যান লেগ বিফোর হয়ে। এরপর তাহিরের সাথে জুটি গড়েন নোমান, তুলে নেন অর্ধশতক। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান তুলেন এই ব্যাটার, তার ইনিংসে থাকে ৫ চার ও ২ ছক্কা।
তবে আফগানিস্তানের ব্যাটিং স্কোর ৩০০ পার করে তাহির ও আমির হামজার ব্যাটে। তাহির করেন ৩১ বলে ৪৩ রান।
অপরদিকে ১১ বলে ২১ রান আসে আমিরের ব্যাট থেকে। শেষ পর্যন্ত ৫০ অভার শেষে ৩০৪ রান আসে আফগানিস্তানের টোটাল।বল হাতে ৪ উইকেট তুলে নেন রুবায় রাজিন, জোড়া উইকেট নেন স্পিনার সিয়াম।
জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের ইনিংসের কান্ডারি হন আলামিন ইসলাম রনি। ব্যাট হাতে তিনে নেমে করেন ৫৬ বলে ৭১ রান, ১২৬ স্ট্রাইক রেটের ইনিংসে ছিল ১০ টি বাউন্ডারির মার। ওপেনার জারিফ সিয়াম করেন ২২ রান, ৪৫ বলে দ্রুত অর্ধশতক তুলে নেন আরেক ওপেনার আব্দুল্লাহ আল মাহি।
৩৪.৪ অভারে ২২০ রান তুলে জয়ের দিকে ভালোভাবেই আগাচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে ৫৬ করা আহসান আল মুমিন ও ২৬ করা রাকিবুলের বিদায়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর দ্রুত ফিরে যান শাকিল, ফরিদরা। সেখানে তাই শেষ অভারে ১৫ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের।
তবে বল হাতে ৪ উইকেট পাওয়া রাজিন এবার ব্যাট হাতে দলের ত্রাতা বনে যান। শুরুর বলে তার পার্টনার আতিক ডট দিলেও পরের বলে তুলে নিতে পারে সিঙ্গেল।
এরপর দুই বলে ৪ ও ৬ হাকিয়ে সমীকরণকে ৪ বলে ১৪ থেকে ২ বলে চারে আনেন রাজিন। শেষবলে সেখানে ২ নিলেই জয় নিশ্চিত হতো বাংলাদেশ দলের। তবে হামজার বল ব্যাটে লাগাতে ব্যার্থ হন রাজিন, ফলে এক রান নিয়ে ম্যাচ ড্র করে থাকতে হয় সন্তষ্ট।
এই ড্র এর ফলে সিরিজ জয় আর সম্ভব হবেনা আফগানিস্তানের। অপরদিকে শেষ ম্যাচে ড্র বা জয় পেলে সিরিজ নিজেদের নামে করতে পারবে বাংলাদেশ দল।




