ম্যানসিটি ছেড়ে ২০১৯/২০ মৌসুমে যোগ দেন জুভেন্তাসে। সেখানে কাটান মোট ৬ সিজন। তবে এবারই জুভেন্তাসে নিজের শেষ মৌসুম কাটাচ্ছেন দানিলো। এর মাঝে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ক্লাব ছাড়ছেন এই ব্রাজিলিয়ান রাইট ব্যাক।
কিছুদিন আগে এক স্টোরিতে ফ্রোজা জুভ লিখেন দানিলো। তাতেই নিশ্চিত হয় যে ক্লাবে বেশিদিন থাকছেন না তিনি। এছাড়া এই মৌসুমেই তার জুভেন্তাসের সাথে হবে চুক্তির শেষ। নতুন করে চুক্তি নবায়ন হবেনা, জানুয়ারি থেকে চাইলেই অন্য ক্লাবের সাথে চুক্তি করতে পারবেন দানিলো। সেখানে দানিলোকে নিতে আগ্রহী সিরিআ এরই আরেক ক্লাব নাপোলি। এছাড়া ব্রাজিলের ক্লাব ফ্লেমেঙ্গো ও ভাস্কো দ্যা গামা। তবে এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি কোথায় হবে দানিলোর ঠিকানা। তবে ইতালিতে থেকে যান বা ব্রাজিলে যান, আগামী সিজনে জুভেন্তাসে থাকছেন না দানিলো।
এদিকে আরেক ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার এডারসনকে নিয়ে কাড়াকাড়ি লেগেছে দুই ম্যানচেস্টারের মাঝে। একদিকে ইউনাইটেডের নতুন কোচ রুবিন আমিরম তার প্রসেসের অংশ হিসেবে দলে চান এডারসনকে। দলের প্রধান দুই মিডফিল্ডার ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও ম্যানুয়েল উগার্তের ইঞ্জুরিতে বেশ দুর্বল হয়েছে মিডফিল্ড। ফলে সেখানে এডারসনকে চাচ্ছেন আমিরম। ইউনাইটেডের এডারসনকে চাওয়ার খবর প্রকাশ করেছে ফুটবলের ওয়েবসাইট গিভ মি স্পোর্টস।
একই সাথে ইউরো স্পোর্ট ও পিপলস পার্সন থেকে বলা হয় এডারসনকে চাইছে ম্যানচেস্টার সিটি। নিজেদের বাজে সময় কাটাতে আটলান্টা থেকে এডারসন ও ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে ওমর মারমুশকে দলে আনতে চায় ম্যানচেস্টার সিটি। এ নিয়ে গিভ মি স্পোর্টসও বলে, আগামী সিজনে এডারসককে পাওয়ার জন্য দুই পক্ষই আলাদা বিড করতে পারে। সেখানে অবশ্য ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডর চেয়ে এগিয়ে থাকবে ম্যানচেস্টার সিটি। তবে সেটা দেখা যাবে আগামী বছর জুনের শেষে।
এদিকে মার্কেট প্রাইসেও বেশ চড়া এডারসন। তাকে পেতে গুণতে হতে পারে ৬০ মিলিয়ন ইউরো বা ৭২০ কোটি টাকার মত। তবে এরপরও তাকে নিতে আছে ক্লাবগুলোর চরম আগ্রহ। অবশ্য এই মুহুর্তে বিশ্বের সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডারদের একজন এডারসন, ক্লাবে নিজেকে প্রমাণ করে যাচ্ছেন নিয়মিত। এমন একজনকে তাই দলে পেতে চাইবে সবাই। এবার দেখা যাক, সিজন শেষে কোথায় হয় এডারসন ও দানিলোর ঠিকানা।




