২-২ গোলের ড্র থেকে দলকে এনে দিলেন ৫-২ গোলের জয়। এর আগে রিয়াল মাদ্রিদে তার পারফর্মেন্স নিয়ে ছিল অনেক সমালোচনা। তবে সবকিছুর জবাব দিলেন এবার এই তারকা। সেখানে জানিয়ে রাখলেন তিনি ফিরছেন, শুধু সময় দিতে হবে তাকে।
৭৯ মিনিটে মাঠে নামলেন কিলিয়ান এমবাপ্পের বদলি হিসেবে। তখন ২-০ গোলে এগিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। জয়ের নিশ্বাস পাচ্ছিল স্প্যানিশ এই ক্লাবটি। সেখানে এন্ড্রিককে ঝালিয়ে নিতে মাঠে নামান ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
তবে এরপর যেন হোচট খায় রিয়াল মাদ্রিদ। শেষ ১০ মিনিটে দুই গোল হজম করে রিয়াল মাদ্রিদ। সেখানে ঝালিয়ে নেওয়ার চেয়ে এন্ড্রিকের সামনে সুযোগ আসে নিজেকে প্রমাণের। আর সেই কাজটা করলেন এই ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার। মাঠে নেমে ৩০ মিনিটের মাঝে জোড়া গোল করলেন। এর সাথে দূর করলেন সব সমালোচনা।
কেননা তখনও চাইলে ম্যাচে ফিরতে পারত সেল্টা ভিগো। তবে তাদের সেই সম্ভাবনা শেষ করে দেন এন্ড্রিক। প্রথমে রিয়াল মাদ্রিদকে এনে দেন লিড। এরপর জয়সূচক গোল করেন লস ব্লাঙ্কোসদের হয়ে৷ আর্দা গুলারের জোড়া এসিস্টে করেন জোড়া গোল। আর তাতেই নির্ধারিত হয় ম্যাচের ভাগ্য। মাঝে ফেদে ভালভার্দের বুলেট গতির শট আর এক অসাধারণ গোল বাড়ায় ব্যাবধান। শেষ ১৫ মিনিটের ঝড়ে স্কোরলাইন হয় ৫-২।
১০৮ মিনিটে গুলারের নিচু ধরণের পাস। এন্ড্রিকের অসাধারণ মুভ, এরপর যে ফিনিশ করলেন, এক কথায় যেন শেফস কিস। ১১৮ মিনিটের গোলেও সেই গুলারের পাসে এন্ড্রিকের পাওয়ারফুল ফিনিশ। এবার জার্সি খুলে উজ্জাপন। বুনো উল্লাসে দেখালেন নিজেকে ফিরে পাওয়ার আনন্দ। যে আনন্দ থেকে অনেকদিন বঞ্চিত ছিলেন এন্ড্রিক।
ম্যাচশেষে এন্ড্রিকও জানালেন, কোচ জানেন কখন দলের প্রয়োজনে তাকে নামাতে হবে। এর সাথে যখনই সুযোগ পান নিজেকে মেলে ধরতে চান এন্ড্রিক। কিন্ত মুখে নয় এদিন এন্ড্রিক জবাব দিলেন পারফর্মেন্সে।
এন্ড্রিক সময় নিয়েছেন, তবে হারিয়ে যাননি। সময় নিলে এন্ড্রিক কি করতে পারেন, সেটাই দেখালেন আরেকবার। আগামী দিনে এন্ড্রিক যাক অনেকদুর, এটাই চাওয়া সেলেসাও ভক্তদের।




