গত মৌসুমে ছিলেন ব্যালন ডি অরের রেসে। তবে এই মৌসুমের শুরুতে সেভাবে গোল এসিস্ট পাননি লাউতারো মার্টিনেজ। ফলে গত মৌসুমে দাপট দেখানো ইন্টার মিলানকে ভুগতে হয়েছে বেশ। তবে সময়ের সাথে সাথে নিজের আসল খোলসে ফিরলেন এই আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। একের পর এক গোল করেই যাচ্ছেন তিনি, দলকেও জিতিয়ে যাচ্ছেন। শেষ ৭ ম্যাচে করেছেন ৯ গোল এসিস্ট, আছে ৮ গোল। সর্বশেষ ম্যাচেও মোনাকোর বিপক্ষে করেছেন জোড়া গোল। যে জোড়া গোলে নিশ্চিত হয়েছে সেরা আট, রাউন্ড অফ ১৬ এ সরাসরি চলে গেলো মার্টিনেজের দল।
এদিন ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই গোল আদায় করেন মার্টিনেজ। ম্যাচের ৪ মিনিটে ফ্রেঞ্চ স্ট্রাইকার মার্কোস থুরামকে ফাউল করেন সুইস তারকা ডেনিস জাকারিয়া। তার করা ফাউলে রেফারি ভারে গিয়া বাজান পেনাল্টির বাশি। এরপর হাল্কা ডানদিকে পেনাল্টি নেন মার্টিনেজ। মার্টিনেজের সে পেনাল্টিতে হাত লাগিয়ে ফেরানোর চেষ্টা করলেও তার গতির শটে কোন উত্তর ছিল মার্টিনেজের কাছে। আর তাতেই লিড পায় ইন্টার মিলান।
এরপর মিনিট দশেক পর ইন্টার মিলানের ও নিজের লিড বাড়ান মার্টিনেজ৷ ১৩ মিনিটে এবার গোল করেন ইতালিয়ান মিডফিল্ডার নিকোলো বারেল্লার বাড়ানো বল থেকে। বাড়েল্লার বাড়ানো ভলির পাস থেকে ডিবক্সে বল পান মার্টিনেজ। এরপর জায়গা তৈরি করে নিয়ে করেন শট। আর সেই শট পায় জালের ঠিকানা। মার্টিনেজ পান ম্যাচের দ্বিতীয় গোল।
দ্বিতীয়ার্থে নিজের হ্যাট্রিক তুলে নেন এই স্ট্রাইকার। ৬৭ মিনিটে মাখতারিয়ানের দুরপাল্লার জোড়ালো শট ফিরিয়ে দেন মোনাকো গোলরক্ষক মাজেসকি। তবে সেখান থেকে বল পান লাউতারো। এরপর ঠান্ডা মাথার ফিনিশে তুলে নেন হ্যাট্রিক।
যে গোলের পর রেকর্ডের পাতায় নাম লেখান মার্টিনেজ। এতদিন ইন্টার মিলানের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছিল ব্রাজিল লিজেন্ড আদ্রিয়ানোর। এবার সেই রেকর্ড ভাঙলেন লাউতারো মার্টিনেজ। আদ্রিয়ানোর ১৪ গোলকে টপকে গেলেন পেনাল্টিতে গোল করার মাধ্যমে। আরো এক গোল করে নিজের রেকর্ডকেই ভাঙলেন ১০ মিনিটের মাথায়। চ্যাম্পিয়নস লীগে ১৭ গোল নিয়ে ইন্টার মিলানের সর্বোচ্চ গোলদাতা এল তোরো।
শেষ ৭ ম্যাচে ৮ গোল ও ১ এসিস্ট, শেষ ৫ ম্যাচে ৮ গোল এসিস্ট এল তোরোর। এই আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার মৌসুমে করেছেন ১৬ গোল এসিস্ট। এর আগে লেইসের বিপক্ষে গোল এসিস্টের পর মোনাকোর বিপক্ষে জোড়া গোল। জাতীয় দলের হয়ে নামার আগে নিজেকে বেশ শাণিয়ে নিচ্ছেন লাউতারো৷





