Homeফুটবলখোড়াতে খোড়াতেও ৭০০ গোল এসিস্ট, সুস্থ্য থাকলে কি করতে পারতেন নেইমি?

খোড়াতে খোড়াতেও ৭০০ গোল এসিস্ট, সুস্থ্য থাকলে কি করতে পারতেন নেইমি?

- Advertisement -spot_img

“ এক প্রহর ভালো কাটালে, এক ঋতু কেটে যায় বিষন্নতায়” বিখ্যাত এই লাইনের মত যেন নেইমারের ক্যারিয়ার।

একদিন নেইমার মাঠে নামার পর ভক্তদের শঙ্কা থাকে আবার কবে সুস্থ্য হয়ে মাঠে নামবেন নেইমার।

পল্লীকবি জসিমউদ্দিনের ফুটবল খেলোয়াড় কবিতায় যেন নেইমারের জীবনটাকে অনেক আগেই চিত্রায়িত করে গেছেন।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নেইমার ম্যাচ খেলেছেন মোট ১৬ টি।

এর মাঝে ৭ ম্যাচ নেমেছেন বদলি হিসেবে। আরো স্পেসিফিকভাবে পুর্ণ ৯০ মিনিট খেলেছেন মাত্র ১ ম্যাচে।

এর মাঝে ফিটনেসে এসেছে বদল, ক্লাবও বদল হয়েছে। কিন্ত নেইমার যেন আগের মতনই আছে।

তার জাদুতে মরছে ধরেনি একটুও। আর সেই কারণে এখনও নেইমি সবার মনে।

ব্রাজিলিয়ান লীগ সিরিতে গত মাসে বোটাফিগোর কাছে হেরে যায় সান্তোস৷ রেলিগেশনে থাকা দলটি সর্বশেষ ম্যাচ খেলে ফ্ল্যামেঙ্গোর কাছে, যারা এই মুহুর্তে আছে ব্রাজিলের লীগে শীর্ষে। এই দলটাই ৩-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে ক্লাব বিশ্বকাপ জয় করা চেলসি দলকে।

যেখানের দায়িত্বে আছেন ফিলিপে লুইসের মত কোচ, দলে আছেন দানিলো, অর্তিজ, জর্জিনহো, ওয়েসলি, জার্সন সহ একাধিক বড় তারকা।

এমন দলের বিপক্ষে জয় নিয়ে এলো সান্তোস, সেটা একজনের কারণেই। তিনি আর কেউ নন, নেইমার জুনিয়ার।

অথচ ইঞ্জুরি থেকে ফিরে ১ মাস পর মাঠে নেমেছেন নেইমার। সেই ফেরার দিনই নাম লেখালেন রেকর্ডের পাতায়।

সব ধরণের ফুটবলে ৭০০ গোল এসিস্টের রেকর্ড করলেন। ৪৪৩ গোলের সাথে করেছেন ২৫৭ এসিস্ট।

এর রেকর্ড খেলতে নেইমার খেলেছেন মাত্র ৭৩২ ম্যাচ। অর্থ্যাৎ এত এত ইঞ্জুরি, বিরতি থাকার পরও প্রায় প্রতি ম্যাচে গড়েই গোল এসিস্ট তার।

বাস্তবিকভাবে যদি ইঞ্জুরি না থাকত, সংখ্যাটা এতদিনে পৌছাতে পারত হাজারখানিকে, কিংবা তারও বেশিতে।

বার্সেলোনা ছাড়ার পর নেইমার পিএসজিতে অধিকাংশ মৌসুম পুর্ণ খেলতে পারেননি। এক মৌসুমে খেলা ৩১ ম্যাচ নেইমারের সর্বোচ্চ।

এমনকি বেশিভাগ মৌসুমে খেলেছেন ৩০ এর কম ম্যাচ। এরপর শেষ ২ বছরে তো নেইমারকে মাঠে দেখতে পাওয়া আকাশের চাঁদ দেখতে পাওয়ার মত। অর্থ্যাৎ হিসেব করলে অন্তত ক্যারিয়ারের এক তৃতীয়াংশ ম্যাচ ইঞ্জুরির জন্য খেলতে পারেননি নেইমার।

অনেকেই বলেন ইঞ্জুরি থেকে ফিরেও নেইমার আগের মত থাকেন, জাদু দেখান। নেইমারের দুই পায়ের জাদুই এমন, ইঞ্জুরির পর রিদমে ফিরতে সময় লাগলেও সেটার মাঝেও তিনি এমন কিছু করতে পারেন, যা পারেননা অনেক সাধারণ খেলোয়াড়।

যদি এত ইঞ্জুরি না আসত তার ক্যারিয়ারে, তবে হয়ত নিজের জাদুর পুর্ণ ব্যাবহার করতে পারতেন তিনি।

হয়ত রিকভারি সময়গুলোতে স্কিল নিয়ে কাজ করতে পারতেন। যেখানে আরো ক্ষুরধার হতো তার পারফর্মেঞ্চ, হতে পারতেন বিশ্বের সেরা তা সেরকম একজন।

তবে এতসব যদি কিন্তর ভীরেও খোড়াতে খোড়াতে নেইমি যা হয়েছেন, সেটাও স্বপ্নের মত অনেকের জন্য।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here