কারো কাছে জয়ীর নাম ওসমান ডেম্বেলে, আবার কেউ এগিয়ে রাখছেন লামিন ইয়ামালকে।
আবার কেউ কেউ ব্রাজিলের রাফিনহাকে নিয়েও বাজি রাখতেছেন। এর বাইরে ভিতিনহা, নুনো মেন্ডেসদের নিয়েও আছে আলোচনা।
সব মিলিয়ে জমে উঠেছে ব্যালন ডি অরের আলাপ
এবার জানা গেলো ব্যালন ডি অরের সব সুচি। এছাড়া কোন কোন ক্যাটাগরির উপর দাঁড়িয়ে আছে এই পুরষ্কার, সেটাও জানা গেলো এবার।
এ নিয়ে সব সংবাদ প্রকাশ করেছে ফ্রাঞ্চ ফুটবল থেকে।
ব্যালন ডি অর মুলত দেওয়া হয় শেষ মৌসুমের পারফর্মেঞ্চের উপর। সেখানে শেষ মৌসুমের তিনটি বিষয়ে দেওয়া হয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব।
প্রথমে থাকবে খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য, মৌসুমে একজন খেলোয়াড় কত গোল এসিস্ট করেছেন, নিজের পজিশনে কতটা ইম্প্যাক্ট রেখেছেন, দলের জয়ে কতটা ভুমিকা রেখেছেন ও কতটা ধারাবাহিক ছিল সেটা দেখা হবে।
এরপর হবে খেলোয়াড়ের দলীয় অর্জন। এইক্ষেত্রে অনেকে ব্যাক্তিগতভাবে ভালো করলেও দলগত অর্জনের জন্য পিছিয়ে পড়েছেন।
যেমন মোহম্মদ সালাহ পরিসংখ্যানে ভালো হলেও এবার পিছিয়ে পড়েছেন দলগত অর্জনে।
এর সাথে যুক্ত আছে ফেয়ার প্লে। ধারণা করা হয় গত আসরে এই ফেয়ার প্লের জন্য গত আসরে এই পুরষ্কার পাননি ভিনিসিয়াস জুনিয়ার।
প্রথমে ফ্রান্স ফুটবলের পক্ষ থেকে করা হয় ৩০ জনের সংক্ষিপ্ত তালিকা।
এবার প্রকাশিত হলো সেই তালিকার ডেট। আগস্টের ৭ তারিখ জানা যাবে কারা থাকছেন ৩০ জনের সংক্্ষিপ্ত তালিকায়।
এর এক মাস ১৫ দিন পর ২২ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হবে ব্যালন ডি অর জয়ীর নাম।
সেখানে ভোটিং এর মাধ্যমে নির্ধারিত হবে ব্যালন ডি অর জয়ীর নাম।
এরপর ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ ১০০ দেশ থেকে একজন করে ফুটবল সাংবাদিক ১০ জনকে পয়েন্ট দিতে পারবেন।
সর্বোচ্চ ১৫, এরপর ১২, ১০ কিংবা ৮ থেকে ১ পর্যন্ত করা যাবে মার্কিং। তার ওপর ভিত্তি করে বের করা হয় বিজয়ী।
শীর্ষে থাকা একাধিক ফুটবলারের পয়েন্ট হলে সমান সর্বোচ্চ ১৫ পয়েন্ট পাওয়া সংখ্যাকে নেয়া হয় বিবেচনায়।
সব মিলিয়ে ব্যালন ডি অর জয়ীর নাম জানতে আরো ২ মাস অপেক্ষা করতে হবে ফুটবল ভক্তদের।
তার আগে চায়ের কাপে আলোচনায় থাকবে, থাকবে তর্ক বিতর্ক। থাকবে এক এক মিডিয়ার এক এক খবর।
শেষ পর্যন্ত দেখা যাক কে পান এই পুরষ্কার।




