এক মৌসুম আগে জার্মান লিগে তারা হয় চ্যাম্পিয়ন, যায় ইউরোপা লিগের ফাইনালে।
শুধু যে চ্যাম্পিয়ন হয় তা নয়, হয়ে যায় অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন। জার্মানির জায়ান্ট দল বায়ার্ন মিউনিখকে টপকে পায় শিরোপা।
ফুটবল ভক্তরা তাই লেভারকুসেনকে নামই দিয়ে দেয় ‘নেভার লুজেন’।
তবে সেই লেভারকুসেন বা ‘নেভার লুজেন’, সেই ক্লাবকে নাকানি-চুবানি খাইয়েছে ব্রাজিলের ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গো।
না, ফ্ল্যামেঙ্গোর ২০ না পেরোনো বাচ্চারা।
প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি নিতে ব্রাজিলে আসে লেভারকুসেন। সেখানে ম্যাচ খেলে ফ্ল্যামেঙ্গোর বয়সভিত্তিক দলটির বিপক্ষে।
যেখানে একাদশে ছিলেন দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় বনিফেস, আর্থুর, আদলি, ট্যাপসোবা, ফ্লিকেনরা।
এছাড়া এই মৌসুমে দলে আসা ফ্লিকেনকেও রাখেন কোচ শুরুর একাদশে।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নামেন পালাসিওসহ অন্যান্য খেলোয়াড়রা। কিন্তু দুই হাফ মিলিয়ে এই দলকেই লজ্জা উপহার দেয় ব্রাজিলের ক্লাব ফ্ল্যামেঙ্গো।
ফ্ল্যামেঙ্গোর গোল উৎসব শুরু হয় ম্যাচের ২ মিনিটেই। দলের উইঙ্গার লোরান গোল করে দলের লিড এনে দেন।
১০ মিনিটের মাঝে লিড ডাবল করে ফ্ল্যামেঙ্গোর অনূর্ধ্ব-২০ দল। সেখানে গোল করেন গনসালভেস।
৩৯ মিনিটে এই ব্রাজিলিয়ান তরুণ করেন আরও এক গোল। প্রথমার্ধে এরপর আরও এক গোল করে ফ্ল্যামেঙ্গোর অনূর্ধ্ব-২০ দল।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে গোল আসে লিয়াওর পা থেকে। যে গোলের কারণে ৪৫ মিনিটেই ৪ গোল দিয়ে বিরতিতে যায় ফ্ল্যামেঙ্গো।
বিরতি থেকে ফিরে আরও এক গোল আদায় করে দলটি। এবার গোল আদায় করেন গুস্তাভো।
৫৫ মিনিটে তার গোলে ৫ গোলের লিড ফ্ল্যামেঙ্গো। শেষ পর্যন্ত লেভারকুসেনের হয়ে এক গোল করেন কালবারাথ।
একাডেমির এই খেলোয়াড়ের গোলে ব্যবধান কমায় লেভারকুসেন, তবে কমেনি লজ্জা।
প্রাক-মৌসুমের ম্যাচে জয়-পরাজয়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি। একই সাথে অনেকদিন পর মাঠে নেমেছে লেভারকুসেন দল।
দলের কোচ ও গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের এসেছে পরিবর্তন। কিন্তু এই সব একপাশে রেখেও ৫ গোল খাওয়াকে ফেলতে হবে লজ্জার কাতারেই।
বিশেষ করে ফ্ল্যামেঙ্গো নয়, তাদের অনূর্ধ্ব-২০ দলের সাথে লেভারকুসেন হজম করেছে ৫ গোল।
আর একই সাথে ফ্ল্যামেঙ্গো দেখিয়ে দিয়েছে ব্রাজিলের ফুটবলের সক্ষমতা। ফ্ল্যামেঙ্গো অনুর্দ্ধ ২০ দলের এই জয় যেন ব্রাজিলের ফুটবল সাম্রাজ্যের সামান্য ঝলক।




