বিদায়ের ঘোষণা দেন নিজ লীগের ম্যাচ শেষেই। ক্লাব বিশ্বকাপে কিছু বাড়তি সময় দলের সঙ্গে ছিলেন আনহেল ডি মারিয়া।
কিন্তু এই সময়েই বেনফিকার সেরা পারফর্মার ছিলেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। বেনফিকার হয়ে ক্লাব বিশ্বকাপে ৪টি গোল করেন তিনি।
এমনকি নিজের শেষটাও রাঙান একটি গোল দিয়ে। চেলসির বিপক্ষে দল হারলেও দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন ডি মারিয়া।
চেলসির বিদায়ের পর এবার ডি মারিয়ার ঠিকানা নিজ দেশ। স্বদেশী ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালে ফিরেছেন তিনি, এখানেই হয়তো খেলবেন ক্যারিয়ারের বাকি সময়টা। ইউরোপের দীর্ঘ অধ্যায় শেষে রোজারিও সেন্ট্রালে বড় প্রত্যাশা নিয়ে না এলেও, নামটাই তো ডি মারিয়া।
পারফরম্যান্স যেন তার দিকে ছুটে বেড়ায়। সেই কারণেই রোজারিও সেন্ট্রালে এসেই শুরু করলেন পারফর্ম করা।
রোজারিও সেন্ট্রালের হয়ে শুরুর দুই ম্যাচেই গোল করেছেন আনহেল ডি মারিয়া।
গোডোই ক্রুজের বিপক্ষে ম্যাচের ৭৮তম মিনিটে রোজারিও সেন্ট্রালের হয়ে গোল করেন তিনি।
এরপর অবশ্য প্রতিপক্ষ একটি গোল শোধ দেয়। তবে ডি মারিয়ার গোলই সাহায্য করে দলকে পয়েন্ট পেতে।
এরপরের ম্যাচেও আবারো গোল আনহেলের। এবার লানুসের বিপক্ষে গোল আদায় করেন তিনি।
লানুসের গোলরক্ষক নেহুয়াল লসাদো যখন একের পর এক সেভ করতে থাকেন, তখনই ডেডলক ভাঙেন ডি মারিয়া।
তার শেষ মুহূর্তের গোলটাই হয় ম্যাচের একমাত্র গোল, যা নিয়ে জয় নিশ্চিত করে রোজারিও সেন্ট্রাল।
৩৬ বছর বয়সী ডি মারিয়া আন্তর্জাতিক ফুটবল ছেড়েছেন এক বছর আগে।
কিন্তু গত বছর ইউরোপিয়ান ক্লাব বেনফিকার হয়ে করেছেন মোট ২৭টি গোল ও অ্যাসিস্ট ।
তার আগের মৌসুমে ছিল ৩০ গোল-অ্যাসিস্টের অবদান। এবার নিজের স্বদেশী ক্লাবে এসে শুরুর দুই ম্যাচেই গোল আদায় করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, যেখানেই যান, ডি মারিয়া পারফর্মার হয়ে উঠতেই জানেন।
আর্জেন্টিনা দলকে দীর্ঘদিন সার্ভিস দিয়েছেন ডি মারিয়া। আর্জেন্টিনার হয়ে একাধিক ফাইনালে গোল করা এই ডি মারিয়া তাদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা লিজেন্ড।
তাই যেখানেই খেলুন না কেন, তার প্রতি আর্জেন্টাইনদের ভালোবাসা ও শুভকামনা অটুট থাকে।
সেই ভালোবাসা ও শুভকামনায় আগামী দিনেও জ্বলে উঠুন এনজেল—এটাই চাওয়া আর্জেন্টাইন ভক্তদের।




