পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ শেষ। এশিয়া কাপের আগে দীর্ঘদিনের বিরতি বাংলাদেশ দলের।
মুলত ভারতীয় দল সফর বাতিল করায় এই বিরতি পায় বাংলাদেশ। শোনা যাচ্ছে এই সময় স্কিল ট্রেনিং ক্যাম্প করবে টাইগাররা।
আবার এই সময়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজনের কথাও শোনা যাচ্ছে। তবে চুড়ান্ত হয়নি কোনটাই।
তাই এখনই আলোচনা এশিয়া কাপের দলের পরিবর্তন নিয়ে।
টি২০ দলে ওপেনিং অবস্থা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ভালো আছে।
তামিম, ইমনরা দলের হয়ে অবদান রাখছেন, কেউ না কেউ জ্বলে উঠছেন। এর বাইরে তাদের এটাকিং এপ্রোচ প্রশংসিত হচ্ছে।
যে কারণে আগামী দিনে এই পজিশনে ফিক্সড এই দুইজন। কিন্ত এদের ব্যাকাপ হবেন কে?
৩ ম্যাচ সুযোগ পেয়েও নিজেকে প্রমাণে ব্যার্থ নাইম শেখ। দীর্ঘদিন পর সুযোগ পেয়েও নতুন কিছু করতে পারলেন না নাইম।
ফলে এশিয়া কাপে একাদশ নয়, দল থেকে বাদ পড়ার সম্ভাবনাই অধিক তার। কিন্ত তার জায়গায় কে আসবে দলে?
আলোচনায় আছে জাকির হাসানের নাম। এই বাহাতি ব্যাটসম্যানকে ব্যাকাপ রাখার পক্ষে অনেকে।
এছাড়া সৌম্য সরকারের নাম বলছেন অনেকে। শেষ পর্যন্ত এদের কেউ আসতে পারেন দলে। যদি সেটা না হয়, তবে লিটন দাসই হতে পারেন ব্যাকাপ ওপেনার।
সেক্ষেত্রে মিডল অর্ডারে একাধিক বিকল্প নিতে পারে বাংলাদেশ দল। মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনকে নিয়ে আলোচনা অনেকদিন ধরেই।
যদিও এশিয়া কাপের মঞ্চে এসে অঙ্কনের অভিষেক হবে কিনা, সেটাও অনেকের প্রশ্ন। আলোচনা আছে জিএসএলে পারফর্ম করা সাইফ হাসানকে নিয়ে। ব্যাটিং এর সাথে বোলিংটাও করতে পারেন তিনি।
একই সাথে ইয়াসির আলী, নুরুল হাসান সোহানও আছেন অপশন হিসেবে।
এখনও চুড়ান্ত নয় মেহেদী হাসান মিরাজ দলে থাকবেন, নাকি তিনি দল থেকে ছিটকে যাবেন। কেননা মিডল অভারে স্পিন খেলতে তেমন বড় নাম নেই বাংলাদেশের।
পেস আক্রমণে কারা থাকবেন সেই প্রশ্নও আছে। আপাতত এই জায়গায় নিশ্চিত তাসকিন, মুস্তাফিজ, শরীফুল ও তানজিম সাকিব।
শেষ ম্যাচে পারফর্ম করে সাইফুদ্দিন দলে থাকার দাবি জানিয়ে দিয়েছেন। অপরদিকে হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানাকেও এই লাইনআপে দেখছেন অনেকে। যদি এই জায়গায় হাসান বা রানার কেউ সুযোগ পান, তবে মিডলে ব্যাটিং অলরাউন্ডার হিসেবে দেখা যেতে পারে সাইফকে।
সব মিলিয়ে অনেক হিসাব নিকাশ রয়েছে এশিয়া কাপের আগে। টি২০ ক্রিকেটে ফর্মে বাংলাদেশকে এইসব পরিবর্তনে হতে চাইবে সাবধানী ও নিখুত, পেতে চাইবে এশিয়া কাপে সাফল্য।




