একটা গোলাপী ঘড়ি,ঘড়িটির মূল কাঠামো তৈরি হয়েছে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ দিয়ে।
ডায়াল এবং স্ট্র্যাপ উভয়ই গোলাপি বর্ণের, যা এক নজরে চোখে পড়ে।
বেজেল অংশে বসানো হয়েছে দামি রুবি, যা ঘড়িটিকে করেছে আরও বিলাসবহুল।
এতে ব্যবহৃত হয়েছে Rolex Caliber 4130 মুভমেন্ট,যা বিশ্বখ্যাত ও নির্ভরযোগ্য।
সাধারণভাবে তৈরি হওয়ার পর ঘড়িটিকে বিশেষভাবে মডিফাই করা হয়েছে, স্বর্ণকারদের হাতে রত্নখচিত অংশ জুড়ে ঘড়িটিকে করা হয়েছে আরও আকর্ষণীয়।লিওর এই ঘড়িটির দাম গোল ডট কম জানিয়েছে ৯ লাখ ডলার ব ১১ কোটি টাকা।
বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের তালিকায় শীর্ষে থাকা লিওনেল মেসি কেবল মাঠের খেলায়ই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও চমকপ্রদ রুচির জন্য পরিচিত।
তার ব্যবহার্য জিনিসপত্রও যেন সাক্ষ্য দেয় সেই উচ্চ রুচির। সম্প্রতি আলোচনায় এসেছে মেসির এই বিশেষ ঘড়ি,গোলাপি রঙের রোলেক্স ডেটোনা রেইনবো।
এক ছবিতে দেখা যায়, সাদা হাওয়াই শার্ট ও থ্রি কোয়ার্টার প্যান্ট পরে মেসি দাঁড়িয়ে আছেন, পাশে তার সন্তান আর পেছনে স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো।
এই ছবিতে নজর কেড়েছে তার হাতে থাকা ঘড়িটি, যা প্রথম দেখায় মনে হতে পারে,ক্লাব ইন্টার মায়ামির কোনো উপহার।
কিন্তু না, মেসি নিজেই কিনেছেন এই ঘড়ি।
এই ঘড়িটি মূলত Rolex Daytona Rainbow Cosmograph সিরিজের, যা বিশ্বের অন্যতম দামি ঘড়ির তালিকায় পড়ে।
এর দাম ৮ লাখ থেকে ৩০ লাখ মার্কিন ডলার—বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ থেকে ৩৬ কোটি টাকা!
এই অর্থে হয়তো কারও কয়েক প্রজন্ম নিশ্চিন্তে কাটাতে পারবে, আর মেসি তা ব্যয় করেছেন একটি ঘড়ির জন্য।
তবে শুধু মেসিই নন, এই ঘড়ির প্রেমে পড়েছেন আরও বহু তারকা।
মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, জনপ্রিয় র্যাপার ড্রেক, এমনকি মার্কিন সংগীতশিল্পী জন মায়ের,তিনজনই ব্যবহার করেন এই মডেলটি। ফলে এটি শুধুই একটি সময় দেখানোর যন্ত্র নয়, বরং এক বিলাসিতার প্রতীক।




