২২ গজে চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্সের জন্যই শুধু নয়, ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার ভক্তদের কাছে পরিচিত আরও নানা কারণে।
তার চোখ ধাঁধানো হেয়ারস্টাইল থেকে শুরু করে বিলাসবহুল জীবনযাপন,সবই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।
ফুটবলের বাইরেও তার জীবন যেন এক চলন্ত রাজপ্রাসাদ!
নেইমারের সবচেয়ে আলোচিত শখগুলোর একটি তার চুল।
২০১৮ বিশ্বকাপে সোনালি মুলেট কাটা হোক কিংবা বার্সেলোনায় খেলার সময়ের সেই টাইট ফ্রো—সব কিছুতেই ছিল নতুনত্বের ছাপ।
তবে শুধু স্টাইল নয়, এই চুলের পেছনে খরচও চমক জাগানিয়া। জানা যায়, প্রতি মাসেই তার হেয়ার কাটিংয়ে ব্যয় হয় প্রায় ২০০০ ইউরো, যা বছরে গিয়ে দাঁড়ায় ২৪,০০০ ইউরো, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৩৩ লাখ টাকারও বেশি!
তবে নেইমারের বিলাসীতা এখানেই শেষ নয়। তার গ্যারাজ যেন একটি সুপারকার শোরুম! ৪৫ লাখ ডলারের এই গাড়ির সংগ্রহে রয়েছে ল্যাম্বরগিনি ভেনেনো, অ্যাস্টন মার্টিন ভালকান, মাসেরাতি এমসি১২, ম্যাকলারেন ৫৭০এস, পোর্শ প্যানামেরা টার্বো, অডি আর এইট, স্পাইডার ও একাধিক মার্সিডিজ এএএমজি। প্রতিটি গাড়িই বিলাসের একেকটি নিদর্শন।
নেইমার বহু দেশে সম্পত্তির মালিক। প্যারিসে তার রয়েছে একটি ২০ মিলিয়ন ইউরো মূল্যের বিলাসবহুল বাড়ি, যেখানে পিএসজিতে কাটিয়েছেন টানা পাঁচটি বছর। ব্রাজিলে তার নিজস্ব একটি সাড়ে ২৫ লাখ ডলারের বাংলো রয়েছে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত বেভারলি হিলসে তার একটি বিশাল এস্টেট রয়েছে, যেটি ভাড়া নিতে হলে প্রতি রাতেই গুনতে হয় ১০ হাজার ডলার!
বিলাসের তালিকায় আরও রয়েছে ঘড়ির প্রতি তার দুর্বলতা। একবারে তিনি ১ লাখ ৮০ হাজার ডলারের ঘড়ি কিনে আলোচনায় এসেছিলেন।
পরে ‘গাগা মিলানো’ ব্র্যান্ডের সঙ্গে নেইমারের নিজস্ব লিমিটেড এডিশনের ঘড়ির লাইন চালু হয়।
পিএসজিতে যোগ দেওয়ার সময় পরা সেই ঘড়ির দাম ছিল ২,২৪৫ ডলার!
নেইমার কেবল মাঠে জাদু দেখান না, মাঠের বাইরেও তার জীবনযাপন যেন এক পরিপূর্ণ রাজকীয়তা!




