জিম্বাবুয়ের মাটিতে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে চ্যাম্পিয়নের মুকুট জয় করলো বাংলাদেশ যুব দল।
আজ হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনালে শক্তিশালী দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩৩ রানে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছে তারা।
ব্যাট ও বল দুই বিভাগেই আলো ছড়িয়েছেন রিজওয়ান, যিনি ৯৫ রান করার পাশাপাশি নিয়েছেন ৫ উইকেট।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৪১ রানের উদ্বোধনী জুটি পায় বাংলাদেশ। তবে ৬৫ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ও অধিনায়কসহ ৩ উইকেট হারিয়ে চাপের মুখে পড়ে দলটি।
জাওয়াদ আবরার করেন ২১, রিফাত বেগ ১৬ এবং অধিনায়ক আজিজুল হাকিম ফেরেন মাত্র ৭ রানে।
তবে চতুর্থ উইকেটে দলকে স্থিতিশীল করেন কালাম ও রিজওয়ান। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের সামনে অবিচল থেকে গড়েন ১১৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
কালাম ৬টি চারের সাহায্যে ৭৫ বলে ৬৫ রান করে ফিরলেও অপরপ্রান্তে সেঞ্চুরির পথে এগোতে থাকেন রিজওয়ান।
দুর্ভাগ্যবশত সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৫ রান দূরে থেকে আউট হন তিনি। তার ৯৬ বলের ইনিংসে ছিল ১০টি চমৎকার চার।
এই ব্যাটার ফেরার পর শেষ দিকে ঝড় তোলেন এমডি আব্দুল্লাহ ও সামিউন বশির।
আব্দুল্লাহ ২৯ বলে ৩৮ এবং সামিউন ৮ বলে অপরাজিত ১৩ রান করে বাংলাদেশকে নিয়ে যান চ্যালেঞ্জিং ২৬৯ রানে।
২৭০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা বেশ ভালোই করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
২ উইকেটে ১১০ রান তুলেই ম্যাচে শক্ত অবস্থানে ছিল তারা। কিন্তু এরপর আক্রমণে আসেন রিজওয়ান ও লেগস্পিনার স্বাধীন ইসলাম।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে প্রোটিয়ারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪০ রান আসে আদনান লাগাদেইনের ব্যাট থেকে।
এ জয়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল প্রমাণ করলো, প্রতিপক্ষ যেই হোক, সঠিক পরিকল্পনা ও লড়াকু মানসিকতায় তারা পারদর্শী।
ফাইনালে রিজওয়ানের অলরাউন্ড নৈপুণ্য এবং পুরো দলের সমন্বিত প্রচেষ্টাই এনে দিল ট্রাইনেশন জয়ের স্বাদ।
যুবা বাঘেদের এই গর্জন নিঃসন্দেহে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে নতুন এক আত্মবিশ্বাসের গল্প লিখে দিবে।




