Homeক্রিকেটগামিনির দিন শেষ, হেমিং এর হাত ধরে নতুন মিরপুর দেখবে দর্শকরা!

গামিনির দিন শেষ, হেমিং এর হাত ধরে নতুন মিরপুর দেখবে দর্শকরা!

- Advertisement -spot_img

লিটন দাস আক্ষেপ করেই বলেছিলেন, মিরপুরের উইকেটে প্রাক্টিস করলে শেষ হয়ে যাবে ব্যাটসম্যানের ক্যারিয়ার।

তামিম ইকবাল তো একবার এই উইকেটকে বলেন হরিবল।

লঙ্কান সিন্ডিকেট গামিনি ডি সিলভা এতদিন ছিলেন এই উইকেটের মাষ্টারমাইন্ড। নিজ দেশীয় হাতুড়েসিং এর আমল থেকেই মিরপুরের উইকেটকে বানিয়েছেন মন্থর, দর্শক মহলে তার নাম পেয়েছে ধানখেত হিসেবে।

সেই ধানক্ষেতই যেন হতে যাচ্ছে ক্রিকেটের আদর্শ পিচ। ব্যাটসম্যানদের দুখ যেন ঘুচার দিন এসেছে।

মিরপুরে গামিনি অধ্যায় শেষ, এবার দায়িত্ব টমি হেমিং এর।

এই হেমিং এর হাত ধরেই তৈরি হয়েছে লাহোর ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট ভেন্যু এর উইকেট।

পিএসএল থেকে চ্যাম্পিয়নস লীগ, যেখানে হয়েছে রানবন্য।

যে কারণে পাকিস্তান ক্রিকেট পেয়েছে স্যাম আইয়ুব, হাসান নওয়াজ, শাহাবজাদা ফারহানের মত হিটার ব্যাটসম্যান।

এছাড়া চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে হেমিং এর কর্মকান্ড কুড়িয়েছে প্রশংসা। যে কারণে বিশ্বের অন্যতম সেরা কিউরেটরে পরিণত হন হেমিং।

নিজেদের উইকেটের লজ্জা কাটাতে সেই হেমিং এর দরবারে দ্বিতীয়বার ছুটলো বিসিবি। সেখানেই সর্বোচ্চ বেতন দিয়ে আনা হয় এই কিউরেটরকে।

প্রতি মাসে প্রায় ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে এই কোচকে, বিনিময়ে ঠিক করতে হবে দেশের উইকেট।

শুধু মিরপুর নয়, সারা বাংলাদেশেই কাজ করবেন হেমিং৷ তার অধীনেই থাকবে দেশের সব স্টেডিয়াম ও আউটফিল্ড।

এর আগে বাংলাদেশের দায়িত্ব একবার নিয়েছিলেন হেমিং।

সেবার পুর্বাচলের তৎকালীন শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের উইকেটের দায়িত্ব ছিল তার। বর্তমানে যেখানে করা হবে ক্রিকেটের ল্যাব।

এবার দায়িত্ব পেয়ে মুল মাঠে পরিচালনা করবেন হেমিং। এর আগে সিলেটে কাজ করেছেন।

সে স্টেডিয়ামের উইকেট কতটা স্পোর্টিং, তার প্রমানও পেয়েছেন ভক্তরা।

টি২০ ক্রিকেট স্কিলের খেলা, টি২০ ক্রিকেট রানের খেলা। কিন্ত দিনের পর দিন মিরপুরের উইকেট যেন বাংলাদেশের ব্যাটারদের স্কিল করেছে সীমাবদ্ধ, একই সাথে বোলারদের দিয়েছে মিথ্যা আত্মবিশ্বাস।

সেই জায়গা থেকে আন্তজার্তিক আসরগুলোতে ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ দল।

এর সাথে বিদেশী দলগুলো ও এদের কোচদের এই উইকেট সম্পর্কে ছিল নিচু মনোভব। যা বাইরের দেশে ক্ষুন্ন করেছে বাংলাদেশের মর্যাদা।

তবে এবার স্বপ্ন পুরণ হচ্ছে। অন্তত ব্যাটারদের কষ্ট লাঘব হচ্ছে৷ হেমিং কি করতে পারেন, তার প্রমাণ তিনি দিয়েছেন লাহোর বা সিলেটের কর্মকান্ডে।

এবার দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পেয়ে কাজে লাগানোর পালা তার। হেমিং এর হাত ধরে বদলে যাক দেশের ক্রিকেট, এটাই চাওয়া সবার।

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img
Stay Connected
16,985FansLike
2,458FollowersFollow
61,453SubscribersSubscribe
Must Read
- Advertisement -spot_img
Related News
- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here