আর একটি শিরোপা জিতলেই মেসি-আলভেজের পরের নামটা হবে মার্কুনহোসের।কে
ননা শিরোপা ভাগ্যে আরো একটি ঐতিহাসিক শিরোপা জিতেছেন এই ব্রাজিলিয়ান ক্যাপ্টেন।
চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর প্রথম ফরাসি দল হিসেবে সুপার কাপ জয়ের কৃতিত্ব পেল পিএসজি।
ইউরোপা লিগ জিতে ১৭ বছরের শিরোপা খরা কাটানো টটেনহাম দ্বিতীয় ইউরোপিয়ান শিরোপার খুব কাছাকাছি ছিল।
কিন্তু বদলি খেলোয়াড় গনসালো রামোসের যোগ করা সময়ের গোল তাদের স্বপ্ন ভেঙে দেয়।
নির্ধারিত সময়ের খেলা ২-২ সমতায় শেষ হওয়ায় ম্যাচ সরাসরি টাইব্রেকারে গড়ায়।
প্রথম শটে পিএসজির ভিতিনহা বল বাইরে পাঠালে টটেনহাম এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়, কিন্তু গোলদাতা মিকি ফন ডার ভেনের শট ঠেকিয়ে দেন পিএসজি গোলরক্ষক লুকাস শেভালিয়ের।
এরপর মাথিস তেলের শট বাইরে গেলে এবং নুনো মেন্দেসের সফল স্পটকিকে পিএসজির জয় নিশ্চিত হয়।
টটেনহামের নতুন কোচ ফ্রাঙ্কের জন্য এটি ছিল প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ।
মে মাসে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে ইউরোপা লিগ জয়ের মাত্র ১৬ দিন পর বরখাস্ত হওয়া আঙ্গে পোস্তেকগলুর জায়গায় দায়িত্ব নেন তিনি।
তবে অভিষেকেই দুই গোলে এগিয়ে থেকেও লুইস এনরিকের কৌশলের কাছে হার মানতে হলো তাকে।
ইতালির উদিনেতে ম্যাচের ৩৯ মিনিটে ফন ডার ভেনের গোলে এগিয়ে যায় টটেনহাম।
বিরতির আগে শেভালিয়ের পালহিনহার শট ফিরিয়ে দিলেও রিবাউন্ডে বল জালে পাঠান ডাচ ডিফেন্ডার।
বিরতির পর পেদ্রো পোরোর ফ্রি-কিক থেকে ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর হেড শেভালিয়েরের হাত ছুঁয়ে জালে গেলে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০।
তবে শেষ দিকে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ায় পিএসজি। ৮৫ মিনিটে লি কাং ইন-এর দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটে ব্যবধান কমে আসে।
এরপর উসমান দেম্বেলের নিখুঁত ক্রসে রামোসের হেডে সমতায় ফেরে ম্যাচ।
শুটআউটেও টটেনহাম শুরুতে ২-০ এগিয়ে ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পিএসজির অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের কাছে পরাস্ত হয় তারা।
এই ম্যাচে পিএসজির অধিনায়ক যেমন ছিলেন ব্রাজিলিয়ান মার্কুনহোস,ঠিক একইভাবে রোমেরো
ছিলেন টটেনহামের।যেখানে রোমেরো গোল করলেও শিরোপা উঠেছে ব্রাজিলিয়ানের হাতে।




