২৩ সদস্যের দল হোক, বা ২৬ সদস্যের দল। যে কোচই এসে ঘোষণা করুক ব্রাজিলের দল, তবুও যেন থাকবে এর তর্ক।
তর্কের অন্যতম কারণ এর আক্রমনভাগ। আক্রমণভাগে যাদেরই নেন কোচ, এরপরও যেন থাকে সমালোচনা।
কেননা এই দলে এত এত প্রতিভা, বিশেষ করে আক্রমণভাগে, সমর্থকদের মন ভরেনা কোন কিছুতেই।
ব্রাজিলের আক্রমণভাগের মুল ভরসার নাম নেইমার। ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা নেইমি।
সুস্থ্য থাকলে নেইমারই নেতৃত্ব দিবেন দলকে। তার সাথে আছেন ব্যালন ডি অর জয়ের মত মৌসুম কাটানো রাফিনহা।
অন্যদিকে লেফট উইঙে আছেন রিয়াল মাদ্রিদের অন্যতম সেরা উইঙ্গার ভিনিসিয়াস জুনিয়ার।
সব মিলিয়ে এই আক্রমণভাগই যেন বিশ্বের অন্যতম সেরা
অপরদিকে এই দলের আছে দারুণ ব্যাকাপ। লেফট উইঙেই আছেন রদ্রিগো। রিয়াল মাদ্রিদের এই উইঙ্গার দুই উইঙে খেলতে পারেন৷
সেখানে চাইলে ভিনি ও রাফিনহার দুইজনই হতে পারেন দারুণ ব্যাকাপ। এছাড়া এই জায়গায় আছে রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গার স্যাভিও।
নাম্বার নাইন নিয়ে অনেকদিন সমস্যা ছিল ব্রাজিল দলের। সেই সমস্যার সমাধানও যেন ব্রাজিলের হাতে।
চেলসির হয়ে নিয়মিত পারফর্ম করছেন জোয়াও পেদ্রো৷ অপরদিকে ক্লাব বিশ্বকাপে ও সৌদি প্রো লীগে ফক্স ইন দ্যা বক্স হয়েছেন আরেক নাম্বার নাইন মার্কোস লিওনার্দো।
এর আগে ব্রাজিল দলে ডাক পেয়েছিলেন কুনহা। সেখানে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে গোল করেছেন তিনি।
অপরদিকে দলে এসে গোল করে টিকতে পারেননি ইগর জেসুস। এন্ড্রিকের মত প্রতিভাবান বা রিচার্লিসনে মত অভিজ্ঞরাও এই জায়গায় থাকেন উপেক্ষিত। সমস্যা জর্জরিত নাম্বার নাইনেও নেই অপশনের অভাব।
উইঙের জন্য ব্রাজিল দলে আরো আছেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি, ইগর পাশাও, ওয়েন্ডারসন গ্যালেনার মত খেলোয়াড় ।
সবাই ইউরোপিয়ান ফুটবলে পরিচিত মুখ। গ্যালেনা সৌদিতে গেলেও তার সাবেক ক্লাবের হয়ে তার ফর্মও দারুণ।
এর বাইরে এস্তেভিও উইলিয়ানের মত তরুণ আছেন, যাকে বলা হয় নতুন নেইমার।
এত বড় বড় তারকা এর সাথে মানসম্মত ব্যাকাপ, কোন দলের আছে এমন সমৃদ্ধ আক্রমণভাগ?
ভালো কোচের হাতে পড়লে এই আক্রমণভাগ যেকোন ডিফেন্সকে ভেঙে চুড়ে দিতে পারবে, তাতে নেই কোন সন্দেহ।
আর সেখানে বিশ্বের সেরা না হলেও বিশ্বের অন্যতম যে সেরা এই আক্রমণভাগ, তাতে নেই কোন সন্দেহ।




