একটা সময় বাংলাদেশ দল ছিল বাহাতি স্পিনারপুর্ণ। প্রতি ফরম্যাটের দলেই থাকত এক ব একাধিক বাহাতি স্পিনার।
এনামুল মনি, মোহম্মদ রফিক, আবদুর রাজ্জাক থেকে সাকিব আল হাসানরা, দীর্ঘদিন খেলেছেন বাংলাদেশ দলে।
সে জায়গা থেকে অবশ্য বর্তমানে অনেক পরিবর্তন হয়েছে বাংলাদেশ দলে। বর্তমানে বাংলাদেশ দল পেস বান্ধব।
এছাড়া টি২০ দলে আছে অফ স্পিনার ও লেগ স্পিনার। সেখানে তাই বোলিং ডিপার্টমেন্টে সুযোগ পেতে পারেন একজন বাহাতি স্পিনার।
কিন্ত কে হবেন সেই বাহাতি স্পিনার?
এই তালিকায় সবার আগে আসে নাসুম আহমেদের নাম। টি২০ ক্রিকেটে বেশ পরিচিত নাম নাসুম।
দেশের হয়ে খেলেছেন ৩৬ টি২০, ৩৬ উইকেট পেয়েছেন ৭.২৫ ইকোনমিতে৷ পাকিস্তানের ম্যাচে সর্বশেষ ম্যাচেও সুযোগ পেয়ে ভালো করেছেন, ৪ অভারে ২ উইকেট সহ দিয়েছেন ২২ রান৷
নাসুমের দলে জায়গা পাওয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী একজন, তিনি তানভীর আহমেদ। মাত্র ৬ টি২০ খেলেছেন, ৮ এর বেশি ইকোনমিতে পেয়েছেন ৪ উইকেট।
অর্থ্যাৎ গড়, ইকোনমি ও অভিজ্ঞতা, কোনটাই ভালো নয় নাসুমের থেকে। এর বাইরে সর্বশেষ ম্যাচে ভালো করেছেন নাসুম, স্বাভাবিকভাবেই আসে নাসুমের নাম। তবে আছে এক কিন্ত।
নাসুম সাধারনত খেলেছেন বোলিং সহায়ক উইকেটে। ফ্লাইট বোলিং এর জন্য অভ্যস্ত তিনি।
বিপরীতে জোড়ের উপর বল করতে পারদর্শী তানভীর। এর বাইরে নতুন বলে বল করতে পারেন তানভীর৷
এশিয়া কাপের মত টুর্নামেন্টে স্পোর্টিং উইকেটের সম্ভাবনা বেশী, সেখানে অনেকেই এগিয়ে রাখেন তানভীরের বোলিং।
তবে এখন পর্যন্ত বলার মত কিছু করতে পারেননি তিনি, যে কারণে অভিজ্ঞ নাসুম আবশ্যিকভাবে পড়বেন বাদ ।
আবার নাসুমও ফ্লাট ও স্পোর্টিং উইকেটে প্রুভেন নয়, ফলে দলে যে টিকেই যাবেন তিনি এরও নেই গ্যারান্টি।
সব মিলিয়ে এই লড়াইয়ে একটু হলেও এগিয়ে নাসুম আহমেদ। এর আগে বড় আসরেও খেলেছেন নাসুম।
সে তুলনায়ও তার দিকে বাজি রাখতে পারে বোর্ড। অপরদিকে যদি উইকেট টেকিং এর কথা চিন্তা না করে যদি টাইট বোলিংএ নজর দেয় বাংলাদেশ, তবে দলে ডাকতে পারে তানভীরকেও। সব মিলিয়ে কে আসবেন দলে, সেটা তোলা থাক নির্বাচকদের উপরই।




