২০১৮ সালে প্রথম আসেন টি২০ দলে। এরপর ২০২২ সাল পর্যন্ত খেলে যান টানা। এই সময় ৫৯ ম্যাচে একবারের জন্যই বাদ পড়েননি আফিফ।
তবে ২০২২ এর পর টি২০ থেকে বাদ পড়া শুরু করেন। এরপর একটা সময় যেন উধাও হয়ে যান তিনি
সেখান থেকে আফিফ আবার আলোচনায় আসেন ঘরের মাঠে এ দলের সিরিজে।
হাইপারফর্মেঞ্চের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের সিরিজে ২ টি ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেন।
সেই পারফরমেন্সের কারণে অষ্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার টিকিট আসে আফিফের। সোহানের দলে করে যান টপ এন্ড সিরিজ খেলতে।
সিরিজের শুরুটা একদমই মনমত হয়নি তার। শুরুর ম্যাচে ৮ বলে ৬ রান করেন।
আর সেখানে সবাই বলতে থাকে আফিফ হোসেন চলেনা।
হাইপারফর্মেন্সের সাথে ভালো করলেও ভালো দলের বিপক্ষে আফিফ নড়বড়ে। তবে সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করতে সময় নেননি আফিফ।
আগের দিন নেপালের বিপক্ষে খেলেন ঝড়ো ইনিংস। ২০০ এর অধিক স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেন, ২৩ বলে করেন ৪৮ রান।
মাঠে নেমেই শুরুর ৩ বলে হাকান ৩ চার। তার আপার কাট, ড্রাইভ, ফ্লিক সব ধরণের শটে মুগ্ধ হয় ভক্তরা। একই সাথে ১৮০ এর অধিক রান করে বাংলাদেশ, দিনশেষে যা প্রতিপক্ষের সাথে তৈরি করে ব্যাবধান।
এদিন পার্থ স্কোরসেসের একাডেমির বিপক্ষে লো স্কোরিং পিচে নামেন আফিফ। শুরুতেই ফিরে যান নাইম শেখ, টিকতে পারেননি সাইফও।
শুরুর দুই উইকেটের পর আগের দুই দিন রান করা জিসানও রান করতে পারেননি। অপরদিকে সোহান শুরু করলেও রান বড় করতে পারেননি।
অঙ্কন ও তোফায়েল ফিরে যান দ্রুতই। সেখানে এক প্রান্তে থাকেন আফিফ। শুরুতে নামার পর শেষ পর্যন্ত খেলেন।
বাংলাদেশ ৯ উইকেট হারালেও আফিফ থাকেন শেষ পর্যন্ত। আফিফের এক প্রান্তে থাকায় সাহস পায় মৃত্যুঞ্জয়, রাকিবুলরা।
তাদের ছোটখাটো ক্যামিও ইনিংসে একসময় ভঙ্গুর বাংলাদেশ পায় ভালো টোটাল।
১৬.২ বলে ৭৯ রান করা বাংলাদেশ শেষ ২২ বলে করে ৪৪ রান, যা পুরো দৃশ্যপটের সাথে মাননসই থাকেনা।
তবে বাংলাদেশকে এনে দেয় দারুণ সংগ্রহ।
দুই ধরণের পিচে দুইদিন দুই রোলে নিজেকে প্রমাণ করেছেন।
এই ধারাবাহিকতা যদি বজায় রাখতে পারেন, তবে এশিয়া কাপের সেরা ১৫ এর একজন হওয়া কঠিন হবেনা আফিফের জন্য।




