২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়নস লীগ ফাইনাল। সেখানে ফর্মে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এর মুখোমুখি হয় বার্সেলোনা।
যে ম্যাচে জাভি হার্নান্দেজের বাড়ানো ক্রস থেকে লাফিয়ে উঠে হেডে গোল দেন লিওনেল মেসি।
নিজের ক্যারিয়ারে ৮০০ এর অধিক গোল করেছেন মেসি। তবে এর মাঝে তার সর্বাধিক প্রিয় গোল এটি।
এবার এই গোলের উপর আয় হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। সেখানে এই গোলের হচ্ছে প্রদর্শনী। যে প্রদর্শনী করছেন রেফিক আনাদল।
তুরষ্কে জন্ম নেওয়া ৪০ বছর বয়সী এই চিত্রকর আধুনিক শিল্পকর্ম নিয়ে কাজ করেন। সেখানে নিজের শিল্পের সাথে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি ব্যাবহার করেন চিত্রটাকে জীবন্ত তুলে ধরেন তিনি। আর সেই রেফাক আনাদল এবার তুলে ধরলেন মেসির সেই গোলকে।
যেই গোলের চিত্রকর্মের নাম দেওয়া হয়েছে গোল ফর লাইফ। এই কাজটি প্রথম প্রদর্শিত হয় নিউইয়র্কের রকফেলার সেন্টারে আয়োজিত ১০ দিনের এক জনসাধারণের প্রদর্শনীতে, যা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ক্রিস্টিজের ১০ম আর্ট+টেক সামিট-এর সময়।
হাজারো ভক্ত, সংগ্রাহক ও শিল্পপ্রেমী সেখানে সরাসরি অভিজ্ঞতা লাভ করেন। সেখানে তারা প্রবেশ করেন মেসির স্মৃতির ভেতরে।
লিওনেল মেসির খেলার সৌন্দর্য , শিল্প ও প্রযুক্তির মিলনে সৃষ্টি হয় এক আবেগঘন যাত্রা।
যে যাত্রার সাথেই মিশে থাকে গোল ফর লাইফ।
এরপর নিলামে বিক্রি হয় এই শিল্পকর্মটি। যেখান থেকে মোট আয় করা হয় ১.৮৬ মিলিয়ন ডলার।
যা বাংলাদেশের টাকায় হয় ২২ কোটি টাকা। যে টাকা অবশ্য লিওনেল মেসি বা শিল্পকর্ম রেফিক আনাদল কেউই নিবেন না।
এ থেকে প্রাপ্ত অর্থের একটি বড় অংশ ব্যয় হবে বিভিন্ন অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের জন্য।
যার মধ্যে রয়েছে মেসির ক্লাব ইন্টার মায়ামি সিএফ ফাউন্ডেশন এবং এর সাথে জাতিসংঘের ইউনিসেফের বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব।
এছাড়া এই তহবিল লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের পাঁচটি দেশে মানসম্মত শিক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।
সব মিলিয়ে আরো একবার লিওনেল মেসিকে কাজে লাগিয়ে হলো মানবিক সেবা।
যেখানে মেসির একটি গোল, সেটিও প্রায় ১৬ বছর আগে, যা এনে দিয়েছে মানুষের জন্য অর্থ।
লিওনেল মেসি ফুটবল বিশ্বের বর্তমান সময়ের অন্যতম ফুটবল আইকন। ফুটবল বিশ্বে অনেক আইকনিক মোমেন্ট তৈরি করেছেন তিনি।
অপরদিকে মাঠের লিওনেল মেসি কতটা নান্দনিক, সেটাই তুলে ধরেছেন আর্টিস্ট রেফিক আনাদল।




