ব্যাট নয়, ব্যাটারের হাতে হাতুড়ি। কেউ আবার মারভেল মুভির থর ভেবে ভুল করবেন না।
অবশ্য ক্রিস হ্যামসওর্থের মত জাকেরও রেখেছেন লম্বা চুল। তবে কোন মুভির শুটিংএ নয়।
পাওয়ার হিটিংএ দক্ষতা বাড়াতেই এই টেকনিক জাকেরের।
জাকেরকে এই টেকনিকে পরিচিত করেছেন কোচ জুলিয়ান রসউড।
ইংলিশ ভদ্রলোক জানেন পাওয়ার হিটিংএ বাংলাদেশ দলের ভরসার নাম জাকের। সে কারণেই হয়তবা জাকেরের দিকে বাড়তি নজর রসউডের।
তবে নিজের দায়িত্ব থেকে না হলেও পছন্দ থেকেও হয়ত জাকেরকে প্রাধান্য উডের।
সেটা উড নিজেই বলেছেন সংবাদ সম্মেলনে। বাংলাদেশের মাঝে কার পাওয়ার হিটিং ভালো লেগেছে, সাংবাদিকদের থেকে এমন প্রশ্ন পান উড।
আর সেখানে জাকেরকে বেশ ভয়ানক বলে উল্লেখ করেন এই কোচ।
অন্য কারো নাম না নিলেও আলাদাভাবে নেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যানের নাম।
টি২০ ক্রিকেটে ১২৭ স্ট্রাইক রেট, ২৭ এভারেজ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বেশ ভালোই বলা যায়।
এই সংখ্যাটা বাড়তে পারত, যদি সঠিক সময়ে ব্যাটিংএ আসতে পারতেন জাকের। অথবা ভালো পিচে আরো খেলতে পারতেন ম্যাচ।
বেশিরভাগ সময় আগে এসে ম্যাচের হাল ধরতে হয়, অথবা খেলতে হয় মিরপুরের মাঠে। সেখানেও জাকের ভালো করেছেন।
তবে ৩০ ইনিংসে তার ৩৭ ছক্কা প্রমাণ করে পাওয়ার হিটিংটা ভালোই পারন তিনি।
কেননা এই ফরম্যাটে জাকের হাকান ২৮ চার, অর্থ্যাৎ চারের চেয়ে ছক্কা বেশি তার।
এমনকি সং্খ্যাটা প্রায় ২৫ ভাগ বেশি।
উডের আগে কোচ সালাউদ্দিন বা বিশ্লেষক সামি জাকেরের প্রশংসা করেছেন। জাতীয় দলে আসার আগে বেশ অনেক পরীক্ষাই দিয়ে এসেছন জাকের। ফলে জাতীয় দলে থিতু হতে পেরেছেন। তবে এখানেই শেষ নয় জাকেরের পরীক্ষা
জাকেরকে বড় পরীক্ষা দিতে এশিয়া কাপে। ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের বোলারদের বিপক্ষে।
এশিয়া কাপে চ্যাম্পিয়ন হতে চায় বাংলাদেশ, এমন কথা জাকের নিজেও বলেছেন।
তবে কথাকে কাজে রুপান্তরিত করতে তাকেও দায়িত্ব নিতে হবে।
ফিনিশিংএ দলের রানকে বাড়াতে হবে, রান বড় করার বা বড় রান চেজের প্রস্তত থাকতে হবে। ভারত, পাকিস্তানের মত দলের বিপক্ষে সফল হতে যার নেই বিকল্প।
সেই কাজ জাকের ভালোভাবে করতে পারেন, সেটাই থাকবে প্রত্যাশা।
আর জাকের নিজেও চাইবেন তার ব্যাটে যেন রচনা হয় ইতিহাস।




