সাকিবের হাতে ম্যাচ সেরা পুরষ্কার যিনি তুলে দিচ্ছেন তিনি বার্মুডার প্রধানমন্ত্রী।
গতকাল বলে ব্যাটে বেশকিছু মাইলফলক ছুয়েছেন সাকিব,আর সেই মাইলফলক ছোয়ার দিনে সাকিব হয়েছেন ম্যাচ সেরা।
ওভার করেছেন মাত্র ২ টি,আর উইকেট তুলে নিয়েছেন ৩ টি, তাও ২ ওভারে রান দিয়েছেন ১১ রান।ব্যাট হাতেও করেছেন ২৫।
সাকিবের এই পারফরম্যান্স অবশ্যই সস্থি দিবে সাকিবকে,কিন্তু আঙুল দিয়ে ইমাদ ওয়াসিমকেও দেখাবে অনেক কিছুই।
পাকিস্তান দলে নিয়মিত ছিলেন না অনেকদিন। গত টি২০ বিশ্বকাপেও ভারতের বিপক্ষেও তার ইনিংস হয়েছিল সমালোচিত।
তবে এবারের সিপিএলে একদম ক্যাপ্টেন রুপেই হাজির হলেন পাকিস্তানের অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিম।
আর সেই ক্যাপ্টেন্সির কি দারুণ অপব্যাবহার করছেন তিনি।
বোলিংএ সাকিব আল হাসানের মত অস্ত্র আছে ইমাদের কাছে। কিন্ত সেটার ব্যাবহারই শুরুর দিকে করেননি এই পাকিস্তানি।
শুরুর ম্যাচে সাকিবকে দেন মাত্র ১ অভার। সেখানে মাত্র ৬ রান দেন সাকিব। এরপর তাকে আর আনেননি বোলিংএ।
সে ম্যাচে নিজে ৩ অভার বল করেন ইমাদ।
এরপরের ম্যাচেও সাকিবকে ইমাদ আনেন ১ অভারের জন্য। এবার খরুচে সাকিব আল হাসান।
কিন্ত খরুচে না হলেও ফিরতি হিসেবে সাকিবক আনা হত কিনা, সেই প্রশ্ন থেকে যায়।
কেননা তৃতীয় ম্যাচেই ট্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষেও সাকিবকে ইমাদ বোলিং করালেন এক অভার।
১৩ তম ওভারে আনলেন সাকিবকে, যেখানে ২ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন সাকিব। আর সেখানেই ম্যাচ ঘুরে যায় ফ্যালকনসের দিকে।
অথচ ঐ এক ওভারই পান তিনি!
অবশ্য বল হাতে নিয়মিত সুযোগ পেলে কি করতে পারেন সাকিব তাই প্রমান করেছেন, গতকাল।
ইতিহাসের মাত্র ৫ম বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে তুলে নিয়েঁছেন ৫০০ উইকেট। যা বাহাতি স্পীনার হিসেবে ইতিহাসে একমাত্র।
আর ইতিহাসের একমাত্র,খেলোয়াড় হিসেবে এখন একইসাথে ৭০০০ রান ও ৫০০ উইকেটের মালিক সাকিব আল হাসান। অবশ্য সাকিবের নামের প্ল্যাকার্ড ছুড়ে ফেলা যাবে বহুবার,তবে সাকিবের জন্ম পৃথিবীতে একবারই।




