আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল মানেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই শক্তি। বিশ্বকাপ হোক বা কোপা আমেরিকা ফুটবলপ্রেমীরা ভাগ হয়ে যান দুই শিবিরে।
তবে মাঠের সেই তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমানা পেরিয়ে ক্লাব ফুটবলে রূপ নেয় ভিন্ন বন্ধনে। এর বড় প্রমাণ নেইমার ও লিওনেল মেসির সম্পর্ক।
দীর্ঘদিন তারা বার্সেলোনায় সতীর্থ ছিলেন, পরে খেলেছেন পিএসজিতেও। পিএসজির সেই দলে ছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা আনহেল দি মারিয়াও।
মেসির সঙ্গে জাতীয় দলে অসংখ্য স্মৃতি ভাগ করা দি মারিয়া সম্প্রতি ফিরেছেন শৈশবের ক্লাব রোজারিও সেন্ট্রালে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠেছিল—ক্লাব সতীর্থ হিসেবে তিনি কাকে চান? আশ্চর্যজনকভাবে মেসির নাম নয়, তার পছন্দ নেইমার।
৩৭ বছর বয়সী এই উইঙ্গার বলেন,
“নেইমারের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠতা অনেক। তাকে আমি ভীষণ ভালোবাসি। আমাদের সম্পর্ক দারুণ, এখনো নিয়মিত কথা হয়।
আর্জেন্টাইন ফুটবলের প্রতিও তার টান আছে। এমনকি রোজারিও-নিওয়েলস ম্যাচে থাকতে চেয়েছিল।”
প্রায় দুই দশক ইউরোপে খেলার পর এ বছর মে মাসে রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, পিএসজি ঘুরে নিজের শহরের দলে ফিরেছেন দি মারিয়া।
ক্যারিয়ারের পড়ন্তবেলায় আর্জেন্টিনায় ফেরাটা মেসির ক্ষেত্রে হবে কি না, তা নিয়ে এখনো সংশয় রয়েছে।
হয়তো এজন্যই নেইমারের নাম আগে এসেছে সতীর্থের স্বপ্নে।
নেইমারকে আর্জেন্টিনায় দেখার প্রত্যাশা লুকাননি দি মারিয়া। তার ভাষায়,
“আমি চাই একদিন নেইমার এখানে খেলুক। ভবিষ্যতে আমি নিজেই তাকে আমন্ত্রণ জানাবো। সেটা হবে বিশেষ কিছু।”
আর্জেন্টাইন ফুটবলে যেমন বোকা জুনিয়র্স রিভার প্লেটের লড়াই শিরোনামে থাকে, তেমনি রোজারিও-নিওয়েলস দ্বৈরথও শতবর্ষের উত্তাপে ভরা।
চলতি সপ্তাহে সেই ম্যাচেই গোল করে ক্লাবকে জিতিয়েছেন ২০২৪ কোপা আমেরিকা জয়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলা দি মারিয়া।
অন্যদিকে নেইমারের ক্যারিয়ার এখন চোটে জর্জরিত। আল হিলাল ছেড়ে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরলেও নিয়মিত খেলতে পারছেন না।
এমনকি ব্রাজিলের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দলে জায়গা হয়নি তার।
সেপ্টেম্বরে চিলি ও বলিভিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দর্শক হয়েই থাকতে হবে ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারকে।




