আর্জেন্টিনা দলে মানসম্পন্ন উইঙ্গারের ঘাটতি থাকায় গার্নাচোর দিকে ভরসা করেছিলেন অনেকে।
গতি, এক্রোব্যাটিক গোল—সব মিলিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন ভরসার প্রতীক। তবে সেই ধারাবাহিকতা বেশিদিন ধরে রাখতে পারেননি।
এরিক টেন হাগের সময়ে সুযোগ পেলেও নতুন কোচ আমিরমের অধীনে মাঠে নামার সুযোগ খুব একটা পাচ্ছেন না।
এর আগেও ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জন উঠেছিল; নাপোলি তাঁকে কাভারাত্সখেলিয়ার বিকল্প হিসেবে নিতে আগ্রহী ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিরি আ চ্যাম্পিয়নদের প্রস্তাব গ্রহণ করেননি তিনি।
চলতি মৌসুমের শুরুতেই চেলসি আগ্রহ দেখায় গার্নাচোকে দলে ভেড়ানোর। এরপর এই ক্লাবের হয়েই খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
এমনকি একমাত্র চেলসিতেই খেলতে চান বলে জানান। ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছিল, প্রথমে ইউনাইটেড তাঁকে ছেড়ে দিতে ৫৪ মিলিয়ন ইউরো দাবি করে।
তবে আলোচনার মাধ্যমে সেই অঙ্ক কমে দাঁড়িয়েছে ৩৫ মিলিয়ন ইউরোতে।
অর্থাৎ প্রায় ৫০০ কোটি টাকায় গার্নাচো যাচ্ছেন লন্ডনের নীল শিবিরে।
বর্তমানে অনেক সমর্থক ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে বলেন “মৃত্যুকূপ”।
কারণ এখানে আসা খেলোয়াড়রা যেমন হারান ফর্ম, কোচরাও টিকে থাকতে পারেন না।
গার্নাচো দীর্ঘদিন ধরে এই ক্লাবের অংশ হলেও নতুন কোচের পরিকল্পনায় তিনি নেই, সেটা পরিষ্কার।
অপরদিকে চেলসির সামনে রয়েছে বড় প্রজেক্ট। উইঙ্গে গিটেনস বা নেত্রোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলেও, কোচের পরিকল্পনায় থাকবেন গার্নাচো।
যা তাঁকে এনে দিতে পারে জাতীয় দলে ফেরার সুযোগ।
বর্তমানে তিনি স্কালোনির আর্জেন্টিনা দলে নেই। অনেকের মতে, বিশ্বকাপের পরিকল্পনাতেও তাঁর জায়গা নেই।
তবে লেফট উইঙ্গে নিয়মিত পারফর্ম করতে পারলে গার্নাচো যে আবারও স্কালোনির নজরে আসবেন, সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই।
আর সেটা হলে আর্জেন্টিনার উইং সংকটের বড় সমাধান হয়ে উঠতে পারেন এই তরুণ।




