পেস বোলিংএ যেন ত্রি রত্ন পেলো বাংলাদেশ দল। তিনজনই যেন পাল্লা দিয়ে পারফর্ম করছেন একজন আরেকজনের সাথে।
তাসকিন ফর্মে ফিরেছেন, ফিজ দেখাচ্ছেন তার চিরচেনা জাদু। আর এদেরকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন তানজিম সাকিব।
এশিয়া কাপও মাতাতে পারে বাংলাদেশের এই পেস ত্রয়ী। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের বর্তমান পেস ত্রয়ী নিয়ে বিস্তারিত থাকছে প্রতিবেদনে
আগের ম্যাচে পেয়েছিলেন ৪ উইকেট। এদিন পকেটে পুড়লেন আরো দুইটি।
পুরো ম্যাচে তাসকিন আহমেদ বলও করলেন ৬ এর কম ইকোনমিতে। আগের দিনের পর এদিনও বোকা বানিয়েছেন ভিক্রমজিৎকে।
কোনভাবেই যেন তাসকিনের বোলিংএ উত্তর খুজে পাচ্ছেন না এই বাহাতি ওপেনার। তার সাথে তাসকিন ফেরান কাইলি ক্লেইনকে।
গতির সাথে স্লোয়ারের ব্যাবহার, নিজেকে অন্যভাবে মেলে ধরছেন তাসকিন।
অপরদিকে এদিন রেকর্ডবুকে নিজের নাম লেখালেন মুস্তাফিজুর রহমান।
রাশিদ, সৌদি, সাকিবের মত লিজেন্ডদের তালিকায় বাংলার দ্যা ফিজের নাম।
২৯ বছর বয়সী ফিজ টি২০ তে ক্রিকেটে আন্তজার্তিক মঞ্চে নিয়েছেন ১৪২ উইকেট, যা তাকে এই ফরম্যাটে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির তালিকায় এনেছে সেরা পাচে।
এদিন এই রেকর্ডে নাম লেখাতে ২ উইকেট শিকার করেন ফিজ। ডাচ অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্টস ফিজের বলে দেন জাকেরকে ক্যাচ।
আর ফিজের এরাউন্ড দ্যা উইকেটে আসা বলে গতির তারতম্য বুঝতে না পেরে ফিরে যান জুলফিকার।
আগের দিনও উজ্জ্বল ছিলেন এই দুইজন, তবে এদেরকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি শরীফুল।
সুযোগ পেয়ে এই ম্যাচে এই কাজটাই ভালোভাবে করেন তানজিম সাকিব।
সেট হয়ে বড় ইনিংস খেলার আগেই শারিজ আহমেদকে ফেরান স্লো বাউন্সারে।
এছাড়া স্পট বোলিং করে ব্যাটসম্যানকে রাখেন চাপে। মিডল অভারে নেদারল্যান্ডসের রান চাপিয়ে রাখতে করেন সাহায্য।
৩ অভারে রান দেন ৫.৩ ইকোনমিতে। যে কারণে দলীয় টোটালকে ১০৩ এর বেশি নিতে পারেনি ডাচরা৷ ইকোনমির দিক থেকেও দলের দুই নাম্বারে ছিলেন সাকিব।
সব মিলিয়ে এই মুহুর্তে কার্যকর হচ্ছে বাংলার তিন পেসার। ফিজ এই বছর ম্যাজিকাল, যেদিনই খেলছেন লাল সবুজের হয়ে, জয় নিয়ে ফিরছেন।
তাসকিন ফিটনেস ও ফর্ম ফিরে পেয়েছেন। নতুন বলের সাথে পুরাতন বলেও সাকিব ভালো করছেন।
তার সাথে সাকিবের ব্যাটিং দলের জন্য হবে বাড়তি পাওনা। এই মুহুর্তে এটাই যেন বাংলাদেশের সেরা পেস বোলিং লাইনআপ
যদিও এশিয়া কাপে ভারত, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানের বিপক্ষে পরীক্ষা দিতে এই পেস বোলিংকে।
আর সেটা মোটেও সহজ হবেনা তাদের জন্য৷ তবুও অতীতে বড় মঞ্চে এই পেস বোলিং নিজেকে প্রমাণ করে এসেছে।
ব্যাটিংএ পর্যাপ্ত সাপোর্ট পেলে এই সাকিব, ফিজ, তাসকিনরাই হতে পারেন এক্স ফ্যাক্টর, এশিয়া কাপে জেতাতে পারেন ম্যাচ।




